ইত্তেফাক রিপোর্ট
নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন (ওয়াশ) খাতের উন্নয়নে সাম্যতা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে বাজেট বরাদ্দের আহ্বান জানিয়েছেন ওয়াশ সেক্টরের সঙ্গে জড়িত গবেষকগণ ও সংস্থাসমূহ। গতকাল রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে ওয়াটারএইড, ইউনিসেফ, পিপিআরসি, ফানসা-বিডি, ডব্লিউএসএসসিসি-বি, এফএসএম নেটওয়ার্ক, স্যানিটেশন অ্যান্ড ওয়াটার ফর অল এবং ওয়াশ অ্যালায়েন্স-এর উদ্যোগে যৌথভাবে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে প্রয়োজনীয় অর্থায়নসহ নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন (ওয়াশ) খাতকে মূলধারায় নিয়ে আসা জরুরি বলে মতামত তুলে ধরা হয়। সমপ্রতি ওয়াটারএইড ও ইউনিসেফের সহায়তায় পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি)-এর এক গবেষণায় দেখা যায় যে, দেশে ওয়াশ খাতে অর্থ বরাদ্দের দীর্ঘমেয়াদি ধারা ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও গত তিন বছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতেও (এডিপি) ওয়াশ খাতে বরাদ্দ ৫% হারে স্থির রয়েছে। গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করেন পিপিআরসির চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার ইতোমধ্যেই ওয়াশখাতের অর্থায়নে প্রশংসনীয় উন্নতি করলেও গত ৯ অর্থবছরে জিডিপি ও জাতীয় বাজেট বৃদ্ধির তুলনায় ওয়াশ খাতের আপেক্ষিক বৃদ্ধি মাত্র ৫৬ দশমিক ৩১ শতাংশ, যা তুলনামূলকভাবে কম। এছাড়া পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্যবিধি এবং সচেতনতা সৃষ্টির বিষয়গুলো সাব-সেক্টর ভিত্তিক বরাদ্দের ক্ষেত্রে এখনো উপেক্ষিত। আসন্ন বাজেটে গ্রামীণ ও শহর এলাকায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ডিপিএইচই) বরাদ্দ বৃদ্ধি, দুর্গম এলাকাসমূহের জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। সেইসঙ্গে পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্যবিধি এবং সচেতনতা সৃষ্টির মতো সাব-সেক্টরাল বিষয়গুলোতে বরাদ্দ বৃদ্ধিতে অগ্রাধিকার দেওয়ার দাবি জানানো হয়।
