ছাগলনাইয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনবল ও ওষুধ সংকট

আপডেট : ২৭ জুন ২০১৬, ০০:৪৯
ছাগলনাইয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনবল, সরঞ্জাম ও ওষুধ সংকটে সুফল পাচ্ছে না রোগীরা। এতে করে উপজেলাবাসী প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দিকে ঝুঁকছে।
 
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৩১ থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও পর্যাপ্ত জনবল দেয়া হয়নি। সার্জারি, নাক কান গলা ও এ্যানেসথেসিয়া বিভাগের তিনজন কনসালটেন্টের পদ দীর্ঘদিন যাবত্ খালি। একজন চক্ষু চিকিত্সক দেয়া হলেও তিনি ফেনী সদর হাসপাতালে প্রেষণে কর্মরত। ১৪ জন নার্সের মধ্যে আটজন কর্মরত থাকলেও তন্মধ্যে একজন ফেনী সদর হাসপাতালে প্রেষণে কর্মরত। ষ্টোর কিপার একজন, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর তিনজন, ফার্মাসিস্ট একজন, মেডিক্যাল টেকনিশিয়ান (ল্যাব) দুইজন, মেডিক্যাল টেশনিশিয়ান (ফিজিও) একজন, সহকারী নার্স একজন, স্বাস্থ্য সহকারী ১৩ জনসহ তৃতীয় শ্রেণির মোট ২২টি পদ খালি রয়েছে। জুনিয়র মেকানিক একজন, এমএলএসএস তিনজন, আয়া একজন, ওয়ার্ড বয় দুইজন, কুক একজন, নিরাপত্তা প্রহরী দুইজন, বাগান মালি একজন, ঝাড়ুদার তিনজনসহ ৪র্থ শ্রেণির মোট ১৪টি পদ খালি রয়েছে। তৃতীয় তলার পুরুষ ওয়ার্ডের টয়লেট দীর্ঘদিন যাবত্ সম্পূর্ণ ব্যবহারের অনুপযোগী। টয়লেটের পানি পড়ে দ্বিতীয় তলার অপারেশন থিয়েটারের যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে গেছে।
 
এতে সরঞ্জাম সংকট দেখা দিয়েছে। এছাড়া প্রধান সহকারী প্রেষণে দাগনভূঁঞা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, একাউনটেন্ট প্রেষণে সিভিল সার্জন অফিসে, এসএসিএমও একজন প্রেষণে ফেনী বক্ষব্যাধী হাসপাতালে, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক একজন প্রেষণে ফুলগাজী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, স্বাস্থ্য সহকারী প্রেষণে চট্টগ্রাম ও ঢাকায় চারজন এবং ফুলগাজী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একজন ও ওটি বয় একজন প্রেষণে মঙ্গলকান্দি হাসপাতালে কর্মরত রয়েছে। এছাড়া নৈশ প্রহরী না থাকায় সেই দায়িত্ব পালন করতে হয় এমএলএসএসকে। চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর অভাবে স্বাস্থ্য সেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। এদিকে মাঠ পর্যায়ে টিকাদান ও রোগ প্রতিরোধ কর্মসূচিসহ সকল কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। আউটডোর এবং ইনডোরে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ স্বল্পতা রয়েছে। ফলে রোগীরা বিনামূল্যে ওষুধ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

 
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নুরুল আমিন জাহাঙ্গীর জানান, সংশ্লিষ্ট বিভাগকে চিঠি দিয়ে সকল সমস্যার বিষয়ে অবহিত করার পরও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।