কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মানববন্ধন

আপডেট : ২৮ জুন ২০১৬, ২৩:২৬
বিদ্যুৎ বিভাগ ঘোষিত পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে ১০টা ১ঘন্টা কুষ্টিয়া-মেহেরপুর সড়কে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। মানববন্ধন কর্মসূচী চলাকালে উল্লেখিত সময় পর্যন্ত কুষ্টিয়া-মেহেরপুর সড়কে সকল ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল। মানববন্ধন শেষে আন্দোলনরতরা উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে তাদের ন্যায্য দাবি-দাওয়া সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করেন। সেইসঙ্গে স্মারকলিপিটি কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজারের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব, বিদ্যুৎ বিভাগের একান্ত সচিব সচিব, বিআরইবির চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট ৯টি দপ্তরে অনুলিপি প্রেরণ করেন।
মানববন্ধনে কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ৪ শতাধিক কর্মকর্তা/কর্মচারী অংশ নেয়। স্মারকলিপিতে তারা উল্লেখ করেছেন, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে রীতিমত দীর্ঘসুত্রিতা দেখা দিয়েছে। বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগ কর্তৃক সাম্প্রতিক সকল বিদ্যুৎ সংস্থা-কোম্পানী ৭৫ শতাংশ পে-স্কেল প্রদানের প্রস্তাব অনুমোদন হলেও বিআরইবি তা বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে। এক্ষেত্রে সমিতির সকল কর্মকর্তা/কর্মচারীদের মাঝে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। সঞ্চালন কোম্পানী পিজিসিবি আন্দোলনের মাধ্যমে ১২৩ শতাংশ পে-স্কেল অনুমোদন করিয়ে নিয়েছে। অথচ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জন্য ১০০% পে-স্কেল বাস্তবায়ন হয়নি। এ যাবৎকালে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির লভ্যাংশের অংশীদারিত্ব নিয়ে আসছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড।
সমিতির সকল কার্যক্রম বিআরইবি কর্তৃক মনিটরিং হয়ে থাকে। ‘বিদ্যুৎ আইন ২০১৩’ অনুযায়ী পল্লী বিদ্যুতায়ন কার্যক্রমে নিয়েজিত পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সমুহের সকল কর্মকর্তা/কর্মচারীদের প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী ও জনসেবক এবং সকল কার্যক্রমকে জরুরী অত্যাবশ্যক হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। তা সত্বেও পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড সরকারের ঘোষিত পে-স্কেল নিজেরা ভোগ করলেও সমিতিগুলোকে পে-স্কেল  হতে বঞ্চিত রাখে। বঞ্চিত সত্বেও প্রতি বছর বিআরইবি কর্তৃক প্রদানকৃত টার্গেট পূরণ করে আসছে পল্লী সমিতি । বাংলাদেশ সরকারের ‘ভিশন ২০২১’ বাস্তবায়নে সরকারের এজেন্ডা হিসাবে কাজ করছে পল্লী বিদ্যুত সমিতি।
মানববন্ধনকালে বক্তারা অবিলম্বে নতুন পে-স্কেলে ঈদুল ফিতরের আগে সমুদয় বেতন ভাতা প্রদানের দাবি জানিয়েছে। নতুবা পরবর্তীতে কর্মবিরতিসহ কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেয়া হয়।