উপজেলার বরুকা গ্রামে ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করা ৬ ভাইয়ের ২৪ সদস্যের পরিবারের স্থান হয়েছে পরের বাড়িতে।
উচ্ছেদ হওয়া পরিবারের রহুল আমীন জানান, পিতার ক্রয় করা জমিতে দীর্ঘ দিন ধরে ৬ ভাই পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছেন। প্রতিবেশি আ. হাই মাস্টারের ছেলে শাহজাহান কবীর থানায় মিথ্যে মামলা দিয়ে রহুল আমীনকে গ্রেফতার করান। এরপর গত ১৮ মে তার ৫ ভাইসহ পরিবারের লোকজনদের পিটিয়ে ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করে দেয়। এব্যাপারে থানায় লিখিত অভিযোগ করে কোনো লাভ হয়নি। বরং অভিযোগ দেওয়ার অপরাধে ওই প্রভাবশালীর মদদে পুনরায় তাদের বাড়ি-ঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়েছে।
এ বিষয়ে আ. হাই মাস্টার জানান, ভিটেমাটি ছেড়ে তারা চলে গেছে এতে আমাদের কি করার আছে। এই প্রেক্ষিতে রহুল আমীন জানান, আমরা দরিদ্র মানুষ। আ. হাই মাস্টার আমাদের ৬ ভাইকে হত্যা করে জমি আত্মসাত্ করার জন্য মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। আমার ২৪ সদস্যের পরিবারে ৬ জন ছাত্র/ছাত্রী রয়েছে। তাদের ভবিষ্যত্ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ফুলবাড়ীয়া থানার ওসি রিফাত খান রাজিবের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি।
