মাদরাসার ৫৭ শিক্ষক-কর্মচারী ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত

আপডেট : ০১ জুলাই ২০১৬, ১৫:২৪
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় প্রতিষ্ঠাতার মাধ্যমে হাইকোর্টে রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তিনটি মাদরাসার সভাপতি পদের রদবদল হওয়ায় শিক্ষকদের বেতনভাতা তিন মাস ধরে বন্ধ থাকার কারনে ৫৭ শিক্ষক কর্মচারী মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
 
শুধু তাই নয় ঈদুল-ফিতর উদযাপনের অর্থও তাদের কাছে নেই বলে পরিবারগুলো অসহায়ত্ব প্রকাশ করেছে।
 
শিবগঞ্জ উপজেলার পনেরশিয়া-আটরশিয়া এ কে দাখিল মাদরাসা, চরজগনাথপুর আনক কারিগরি দাখিল মাদরাসা ও কালিগঞ্জ আনক নাসরিন দাখিল মাদরাসার নিয়মিত কমিটির সভাপতি পদের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠাতা জেড এ বকুলের মাধ্যমে হাইকোটে রিট পিটিশন হওয়ায় তিনটি মাদরাসার সভাপতি পদে রদবদল হয়। এতে করে এপ্রিল মাস থেকে বেতন ভাতার সরকারি অংশ উত্তোলন করতে না পারায় তিনটি মাদরাসার ৫৭ জন শিক্ষক-কর্মচারী মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এমনকি তাদের ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত থাকতে হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
 
কালিগঞ্জ আনক নাসরিন দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা মো. সোহরাব আলি জানান, আমাদের মাদরাসার নিয়মিত কমিটি থাকলেও জেড এ বকুল সম্পূর্ণভাবে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে কমিটি নেই বলে হাইকোর্টে রিট পিটিশন করে নতুন সভাপতি নিযুক্ত করেছেন। তার পিটিশনের ভিত্তিতে হাইকোটের সিদ্ধান্ত মোতাবেক নতুন সভাপতির স্বাক্ষরে বেতনভাতা উত্তোলন করলে মাদরাসা ট্রাস্টের অন্তর্ভুক্ত হতে হবে। আর ট্রাস্টের অন্তুর্ভুক্ত হলে মাদরাসাটি কোনদিন জাতীয়করণ হবে না।