আমরা এই মূল্যবোধকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরতে চাই। সকল জাতির প্রতি আমি আবেদন করছি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি স্থায়ী করার জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করতে। হিংস্রতা বা সন্ত্রাস বা সেনাবাহিনী কোনোটাই কোনো রাষ্ট্র বা ধর্মকে ধরে রাখতে পারে না। আমরা এ অবস্থা প্রতিদিন দেখছি এবং অবশ্যই জাগতে হবে। বুঝতে হবে এই সত্য যে, একটি স্থানে ঘটে যাওয়া হিংস্র ঘটনার প্রভাব পড়ছে অনেক দূরের অঞ্চলেও। সেখানে এর প্রভাবে বীজ বপন হচ্ছে আরেক হিংস্রতার। আমি শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলোর প্রতি অনুরোধ করছি, নিজেদের মধ্যকার দূরত্ব অতিক্রম করে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আনার চেষ্টা করুন। তাতে আমাদের সমাজ, শহর এবং পুরো পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে। আমি নাগরিক সমাজের নেতাদের কাছেও আবেদন করছি, রাজনৈতিক ও প্রাসঙ্গিক দলগুলোর উপরর চাপ প্রয়োগ করুন যাতে তারা হিংস্রতা বন্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করে। তারা যেন আলোচনার টেবিলে বসে এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি নিয়ে আসে।
ঢাকায় ১ জুলাই সন্ধ্যায় সন্ত্রাসীদের বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় আমি মর্মাহত। এ ঘটনায় যারা স্বজনদের হারিয়েছেন তাদের প্রতি আমার সমবেদনা প্রকাশ করছি। তাদের আত্মার শান্তি কামনা করছি।
আমি ভাবতেই পারি না যে, বাংলাদেশে এমন হামলার ঘটনা ঘটছে। আমি সবসময় বিশ্বাস করি বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হবে। আমাদের অবশ্যই খুঁজে বের করতে হবে কিভাবে এমন একটি হিংস্র ঘটনার শুরু হলো। আমরা একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়তে চাই। যেখানে প্রত্যেকে তাদের মত স্বাধীনভাবে, নির্ভয়ে প্রকাশ করতে পারবে। আমরা সমতা আর মর্যাদার দিকে এগিয়ে যাওয়া বিশ্বের অংশ হতে চাই।
