ড. ওয়াজেদ মিয়া বাংলাদেশের আধুনিক পরমাণু বিজ্ঞানের প্রাণপুরুষ

আপডেট : ২১ মার্চ ২০১৯, ০০:৪৩

ড. ওয়াজেদ মিয়া বাংলাদেশের পরমাণু বিজ্ঞানের পথিকৃত্। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা জার্নালে তার বহু গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনা তাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খ্যাতিমান বিজ্ঞানীর মর্যাদা এনে দিয়েছে। এ ছাড়াও সফল গবেষকের পাশাপাশি ড. ওয়াজেদ মিয়া ছিলেন একজন দক্ষ সংগঠক এবং জনকল্যাণমূলক ও সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। শান্তিপূর্ণভাবে পরমাণু রিসার্চ করার জন্য তিনি রিসার্চ সেন্টার নির্মাণ করেন। পরমাণু বিদ্যুত্ কেন্দ্র তারই অবদান। গতকাল বুধবার জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে ‘ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া : বাংলাদেশের আধুনিক পরমাণু বিজ্ঞানের প্রাণপুরুষ’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল। মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন থিংঙ্কট্যাঙ্ক জন্মভূমি রিসার্চ সেন্টারের কর্মাধ্যক্ষ আসিফ কবীর। সম্মানিত আলোচক ছিলেন অধ্যাপক সেলিমা খাতুন এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. নঈম চৌধুরী। সভাপতিত্ব করেন জাতীয় জাদুঘর বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সম্মানিত সদস্য অধ্যাপক ড. সুলতানা শফি। স্বাগত ভাষণ দেন জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক মো. রিয়াজ আহমেদ।

কে এম খালিদ বলেন, ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া বাংলাদেশ পরমাণু বিজ্ঞানের পথপ্রদর্শক। বাংলাদেশের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশকে সমৃদ্ধশালী করার লক্ষ্যে পারমাণবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্র নির্মাণ নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করতেন। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুত্ কেন্দ্র নিয়ে তার স্বপ্ন ছিল।

আসিফ কবীর বলেন, ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া ছিলেন দেশের একজন বড় মাপের তাত্ত্বিক নিউক্লিয় পদার্থবিদ। নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞানী হিসেবে দেশ-বিদেশে ছিল তার যথেষ্ট পরিচিতি।