দক্ষিণ সুদানের রাজধানী জুবায় সরকার দলীয় এবং বিরোধী আন্দোলনকারীদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে ১০০ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে বিবিসি। বিবিসি জানায়, এখনও সেখানে গোলাগুলি চলছে এবং নিহতের সংখ্যা শিগগিরই ১০০ জনকে ছাড়িয়ে যাবে। শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের বাইরে এই বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়। অনিশ্চিত বেশ কিছু সূত্র জানাচ্ছে এ ঘটনায় ১৫০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন।
একজন চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, জুবা টিচিং হাসপাতালের মর্গ মরদেহে ভরে গেছে। আরেকজন চিকিৎসক জানান, আনুমানিক ১১০ টি লাশ দেখেছেন তিনি। নিহতদের মধ্যে সেনা ও বেসামরিক লোক রয়েছে। তবে তারা জানান, সেনারা মরদেহ পরীক্ষা করার সুযোগ না দেয়ায় লাশের সংখ্যা সঠিকভাবে বলা যাচ্ছে না। চিকিৎসকদের একজন জানান, নিহতদের বেশিরভাগই সৈনিক।
নিরাপত্তার ভয়ে দুজন চিকিৎসকের কেউই নিজের পরিচয় প্রকাশ করতে চাননি। শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রেসিডেন্ট সালভা কির তার প্রাসাদে ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাবেক বিদ্রোহী নেতা রেইক মাচারের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। এর পরপরই উভয় নেতার দেহরক্ষীদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়।
২০ মাসের গৃহযুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে ২০১৫ সালে দুই পক্ষের মধ্যে একটি শান্তিচুক্তি হলেও তাতে শান্তি আসেনি। উভয় পক্ষই নিজ নিজ পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। দক্ষিণ সুদানের পঞ্চম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ বন্দুকযুদ্ধের পর শনিবার অনেকটা শান্ত ছিল রাস্তাঘাট।
গৃহযুদ্ধের আশঙ্কায় আইএমএফের মত বিদেশি সংস্থাগুলো জুবা থেকে তাদের স্টাফদের সরিয়ে নিচ্ছে।
