পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার ইকড়ি ইউনিয়নে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় আওয়ামীলীগের সমর্থকদের হামলায় ফুল মিয়া (৪০) নামে এক জাতীয় পাটির্র সমর্থক খুন হয়েছেন। রোববার রাত পৌনে ১টায় শেরেবাংলা হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
গুর“তর আহত অবস্থায় এমাদুল (৪৫) ও আব্দুল জলিল (৩৫) কে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মার্চে ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে একাধিক সূত্র দাবী করেছে।
হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্র জানায় ফুলমিয়া, এমাদুল, শাহজাহান ও জলিল ইকড়ি বাজার থেকে রোববার সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার পথে স্থানীয় বোর্ড স্কুলের সামনে নৌকা সমর্থকদের ১৫/২০জনের একটি দল সঙ্গবদ্ধ হয়ে এলোপাথারি কোপাতে থাকে। আহতদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে রাত আনুমানিক ১০টার দিকে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। সেখান থেকে ফুলমিয়া (৪৫), এমাদুল (৪৫), ও জলিল তিনজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
শেরেবাংলা হাসপাতালের জরুরী বিভাগে আনার পর ফুল মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তৃব্যরত চিকিৎসক।
ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ শাহাদাৎ হোসেন হাজরা জানান, বরিশালে প্রেরণকৃত ৩জনের মধ্যে ফুল মিয়ার পেটের ভুড়ি বের হওয়া, জলিলের একটি হাত কাটা। হাতের অল্প একটু চামড়ার সঙ্গে ঝুলে আছে। এমাদুলেরও একটি হাত কাটা অবস্থায় ছিল।
আহতরা জেপির সমর্থক বলে নিশ্চিত করেছে দলের উপজেলা শাখার সদস্য সচিব ও ইকড়ি ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী ধাওয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ছিদ্দিকুর রহমান টুলু ডাকুয়া। তিনি জানান, রাতে ইকড়ি বাজার থেকে ফেরার পথে ১৫/২০জনের একটি দল হামলা চালায়। হামলাকারীরা ইউপি নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে অংশ নেয়া চেয়ারম্যান প্রার্থী হুমায়ন কবীরের সমর্থক। তবে ভাণ্ডারিয়া থানার ওসি তদন্ত শেখ সরোয়ার হোসেন দাবি করে জানান, নিজেরদের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এবং তারা একই এলাকার চাচাতো ভাই।
