স্পোর্টস ডেস্ক
কোচ জোয়াকিম লো দলে পরিবর্তন আনলেও জার্মানির ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি। কারণ অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের ছাড়া খেলতে নেমে লোর শিষ্যরা আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে সার্বিয়ার সঙ্গে ১-১ গোলের ড্রয়ে বাধ্য হলো। নিজেদের মাঠে এমন ফলাফলেও অসন্তুষ্ট নন জার্মান কোচ। আনকোরা দলকে আরও সময় দেওয়ার পক্ষেই সাফাই গাইলেন তিনি।
জার্মানরা বিশ্বকাপে দারুণ সম্ভাবনাময় এক দল নিয়ে খেলতে গেলেও শিরোপা রক্ষার মিশনে প্রথম পর্ব থেকেই ছিটকে গিয়েছিল। তাদের এ বাজে ফলাফল অব্যাহত থাকে উয়েফা নেশন্স লিগের উদ্বোধনী আসরেও। ফলশ্রুতিতে নতুন বছরে এসে দলে আমূল পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেন কোচ লো।
তারই ধাক্কায় প্রীতি ম্যাচ ও ইউরো ২০২০-এর বাছাই পর্বের উদ্বোধনী ম্যাচের দল থেকে ছিটকে যান হামেলস, মুলার ও বোয়াটেং। তাদের অনুপস্থিতিতে গত বুধবার রাতে সার্বিয়ার মুখোমুখি হবার আগে তারকাদের সম্মান জানায় জার্মান দর্শকরা। ম্যাচ শুরুর পূর্বে জার্মান ভাষায় তাদের ধন্যবাদ জানান ভক্সওয়াগেন অ্যারেনার দর্শকরা।
তবে প্রথমার্ধে লুকা জোভিচের গোলে এগিয়ে যায় সফরকারী সার্বিয়াই। দ্বিতীয়ার্ধে লিওন গোরেত্স্কার গোলে সমতায় ফিরলেও বিশ্বকাপের পর প্রথম জয়টি অধরাই থেকে যায় লোর দলের। এই ড্রয়ের ফলে হতাশ তো ননই জার্মান কোচকে বরং কিছুটা উচ্ছ্বসিতই শোনা গেল। জার্মানির দীর্ঘকালীন এই কোচ বলেন,‘আমি বেশ খুশি, আমরা কিছু ভালো আক্রমণ করেছিলাম। কিছু ভালো মুহূর্ত কাটালেও চূড়ান্ত পাসে কিছুটা দুর্বলতা ছিল আমাদের। আমি মনেকরি সময়ের সাথে সাথে সেটা ঠিক হয়ে যাবে। ম্যাচের বয়স বাড়ার সাথে সাথে আমরা ক্রমান্বয়ে ভালোই হচ্ছিলাম।’
লো বিশ্বাস করেন অনভ্যস্ততাই প্রথমার্ধে ভুগিয়েছে তার দলকে। তিনি বলেন,‘প্রথমার্ধে এই নতুন দলে কিছুটা স্বয়ংক্রিয়তা ছিল। প্রথমবারের মত একত্রে খেলার কারণে সেটা ভালোভাবে কাজ করেনি।’
তার মতে,‘দ্বিতীয়ার্ধে প্রতিপক্ষের উপর চাপ বাড়িয়ে এবং খেলায় গতি সঞ্চার করে দলটা ভালো ইঙ্গিত পাঠাচ্ছিল। আমরা অনেক সুযোগ তৈরি করেছিলাম এবং শেষ ছোঁয়ায় গিয়ে কিছুটা অভাব অনুভূত হয়েছে আমাদের। সব মিলিয়ে দলের মানসিকতায় এবং চাপ তৈরি করায় আমি বেশ সন্তুষ্ট।’
