চারশিশু হত্যা: পলাতক আসামিদের মালামাল ক্রোকের নির্দেশ

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০১৬, ১৩:৫৮
হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় চার শিশু হত্যা মামলায় কারাগারে আটক চার আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছে আদালত। একই সঙ্গে এ মামলায় পলাতক তিন আসামির মালামাল ক্রোকের নির্দেশ দেয়া হয়।
 
সোমবার দুপুরে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মাফরোজা পারভীনের আদালত এ আদেশ দেন। আগামী ৭ আগস্ট শুনানির পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন আদালত।
 
আদালত সূত্রে জানা গেছে, সোমবার শুনানির নির্ধারিত দিনে এ মামলায় কারাগারে আটক আব্দুল আলী বাগাল, তার ছেলে রুবেল মিয়া ও জুয়েল মিয়া এবং হাবিবুর রহমান আরজুর জামিনের আবেদন করেন তাদের পক্ষের আইনজীবীরা। শুনানি শেষে বিচারক আবেদন নামঞ্জুর করেন। এ সময় এ ঘটনায় জব্দ দুটি সিএনজি অটোরিকশার মালিকানা নির্ধারণের জন্য যে প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছিল তা দ্রুত দিতে বিআরটিএ কে তাগিদ দেয়া হয়। এ মামলায় পলাতক আসামি উস্তার মিয়া, বেলাল মিয়া ও বাবুল মিয়ার মালামাল ক্রোকের আদেশও দেন বিচারক।
 
উল্লেখ্য, জেলার বাহুবল উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রামের জাকারিয়া আহমেদ শুভ (৮), তার চাচাতো ভাই মনির মিয়া (৭), তাজেল মিয়া (১০) ও ইসমাইল হোসেন (১০) ১২ ফেব্রুয়ারি গ্রামের পার্শ্ববর্তী মাঠে খেলা দেখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। ১৭ ফেব্রুয়ারি বাড়ির অদূরে একটি বালুর ছড়া থেকে মাটি চাপা দেয়া অবস্থায় তাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। হৃদয়বিদারক এ ঘটনাটি দেশ-বিদেশে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্তভার পান ডিবি পুলিশের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মুকতাদির হোসেন। তিনি ৪৮ দিন তদন্ত শেষে আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জসিট জমা দেন। এতে অভিযুক্ত করা হয়- পঞ্চায়েত সর্দার আব্দুল আলী বাগাল, তার ছেলে জুয়েল মিয়া ও রুবেল মিয়া, ভাতিজা সাহেদ আলী ওরফে সায়েদ, অন্যতম সহযোগী হাবিবুর রহমান আরজু, উস্তার মিয়া, বেলাল মিয়া ও বাবুল মিয়াকে। তাদের মধ্যে এখনও পর্যন্ত পলাতক রয়েছেন উস্তার মিয়া, বেলাল মিয়া ও বাবুল মিয়া।