দুর্নীতিকে ঘৃণা করে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সম্মিলিত প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) সদস্যদের বার্ষিক সভা। গণতন্ত্র, সুশাসন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতি প্রতিরোধে দুর্নীতি দমন কমিশনসহ (দুদক) জাতীয় শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যকর, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের দাবি জানিয়েছেন টিআইবি’র সদস্যরা। গতকাল বৃহস্পতিবার টিআইবি’র ধানমন্ডিস্থ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সভায় সদস্যরা জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে দুর্নীতি প্রতিরোধে জনগণকে অধিকতর সম্পৃক্ত করে দুর্নীতিবিরোধী সামাজিক আন্দোলন আরো জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। দুর্নীতিমুক্ত ও সুশাসিত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সভার ঘোষণাপত্রে দশ দফা দাবিও উত্থাপন করা হয়।
টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামানের সঞ্চালনায় এবং সাধারণ পর্ষদে টিআইবি’র সদস্যদের প্রতিনিধি অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. ফজলুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মোট ৩৫ জন সদস্য অংশগ্রহণ করেন। টিআইবি’র বর্তমান সদস্য সংখ্যা ২১৩ জন।
কালো টাকা বৈধ করার সুযোগ বাতিল ও আর্থিক খাতে আস্থা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া, সড়ক পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা আনতে ও সড়কে হত্যা বন্ধে যথোপযুক্ত আইন প্রণয়ন ও তার কঠোর বাস্তবায়নের দাবিও জানানো হয়েছে ১০ দফায়।
