ভারতের আসাম প্রদেশ থেকে বন্যায় ভেসে আসা হাতিটি ছয় দিন যাবত জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি উপজেলায় অবস্থান করছে। বর্তমানে গতকাল পৌর শহরের দাসপাড়ার(ঝালপাড়া) একটি বিশাল আখ খেতে অবস্থান করছিল। হাতি উদ্ধারে বাংলাদেশের ১৭ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল গত ছয়দিন সরিষাবাড়িতে অবস্থান করে উদ্ধারের তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন বন কর্মকর্তা ওসিম মল্লিক।
জানাযায়, বন্য হাতিটি গত ২৮জুন ভারতের আসাম প্রদেশ থেকে বন্যায় ভেসে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলা দিয়ে প্রবেশ করে। পরে জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার যমুনার নদীর দ্বীপচর চর ডাকাতিয়ায় এক ছন ক্ষেতে দুইদিন অবস্থানের পর যমুনা নদীতে ভেসে আবার জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার নব্বইয়েরচরে একদিন অবস্থান করে। এরপর ভাসতে ভাসতে বগুড়া জেলার ধুনট,সারিয়াকান্দি শেষে কাজিপুর উপজেলায় বেশ কিছু দিন অবস্থান করে। তারপর আবার বন্যার প্রবল স্রোতে ভেসে গত ২৭জুলাই জামালপুরের সরিষাবাড়ি উপজেলায় এসে পৌছে।
বনকর্মকর্তা ওসিম মল্লিক জানান, অত্যাধিক বন্যার পানি কারণে হাতিটি বর্তমানে স্থল ভাগে উঠতে পারছে না। এমনকি আমাদের পক্ষেও জোরালো ভাবে উদ্ধারের পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না। পানি কমলে ব্যবস্থা গ্রহণ সম্ভব হবে বলে তিনি জানান।
এছাড়া তিনি আরো বলেন, আগামীকাল ভারতীয় আরো একটি টিম আসার কথা রয়েছে। এলে দুই দেশের টিম একসঙ্গে কাজ করে বন্য হাতিটি উদ্ধার করা সম্ভব হবে।
