বকেয়া পৌনে পাঁচশ কোটি টাকা পরিশোধ করতে না পেরে খাদের কিনারে পৌঁছে যাওয়া দেশের একমাত্র সিডিএমএ মোবাইল অপারেটর সিটিসেল বন্ধ করে দেয়া হবে কি না- সে বিষয়ে সরকারই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।
সিটিসেলের একটি প্রতিনিধি দল দুদিন আগে বিটিআরসিতে গিয়েছিল জানিয়ে সংস্থার চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আলোচানার সারসংক্ষেপ সরকারের কাছে পাঠানো হবে। সরকারই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে- সিটিসেল বন্ধ হবে কি হবে না। পাওনা টাকা আমরা নেব কি নেব না তা- সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয়।’
বড় ধরনের সঙ্কটে পড়া সিটিসেলের গ্রাহক সংখ্যা কমতে কমতে জুন শেষে মাত্র ৭ লাখে ঠেকে; যা বাংলাদেশের মোট মোবাইল ফোন গ্রাহকের এক শতাংশেরও কম। আর বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম পুনঃনিবন্ধন প্রক্রিয়ার পর বর্তমানে সিটিসেলের দেড় থেকে দুই লাখ গ্রাহক রয়েছে বলে বিটিআরসি চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের জানান।
টুজি তরঙ্গ ফি, বার্ষিক লাইসেন্স ফি, বার্ষিক তরঙ্গ ফি, রেভিনিউ শেয়ারিংসহ বিভিন্ন খাতে সিটিসেলের কাছে সরকারের পাওনা দাঁড়িয়েছে ৪৭৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা। বার বার তাগাদা দিয়েও ওই টাকা আদায় করতে না পেরে সিটিসেলকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়ে তরঙ্গ বাতিল ও অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়ে দিয়েছে বিটিআরসি।
