কালাইয়ের চারটি কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০১৬, ০১:০৭
কালাই উপজেলার পাঁচটি সরকারি কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রের মধ্যে একটি মূল সরকারি কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র এবং চারটি সরকারি কৃত্রিম প্রজনন উপকেন্দ্র রয়েছে। কিন্তু এই উপজেলার চারটি সরকারি কৃত্রিম প্রজনন উপকেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ। সংস্কার না হওয়া, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সরকারি কৃত্রিম প্রজনন উপকেন্দ্রগুলো জরাজীর্ণ অবস্থার মধ্যে দিয়ে ভবনের বারান্দায় বসে অফিসিয়াল কাজ চলছে। হাঁস-মুরগি, ছাগল-ভেড়ার চিকিত্সা ও গরুর কৃত্রিম প্রজনন কাজ চলছে ঝুঁকির মধ্যেই। তা ছাড়া সামনে কোরবানির ঈদ। আর এই ঈদকে সামনে রেখে এই প্রজনন উপকেন্দ্রগুলোতে গৃহপালিত পশু-পাখির চিকিত্সাসেবা বেড়েছে।
 
কালাই উপজেলার পাঁচটি সরকারি কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে কালাই পৌরসভা ও আহম্মেদাবাদ ইউনিয়ন নিয়ে একটি মূল সরকারি কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র। উপজেলার মাত্রাই, উদয়পুর, পুনট ও জিন্দারপুর চারটি ইউনিয়নে সরকারি কৃত্রিম প্রজনন উপকেন্দ্র অবস্থিত। এইসব সরকারি কৃত্রিম প্রজনন উপজেলা কেন্দ্রগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়েছে।
 
উপজেলার সরকারি কৃত্রিম প্রজনন উপকেন্দ্রের ভবনগুলোর ভিতরে ও বাইরে মেঝে ও দেয়ালে অনেক স্থানে ফাটল ধরেছে। ইঁদুর গর্ত করেছে।
 
অনেক উপকেন্দ্রের দেয়াল ধসে পড়েছে। ভবনের অনেক দরজা-জানালা ভাঙা এবং ভবনের অনেক জানালার পাল্লা ও রড নেই। ভবনের দেয়াল ঘেঁষে বড় বড় আগাছা জন্ম নিয়েছে। অনেক উপকেন্দ্রের উপরের টিন জং ধরে বড় বড় ফুটা হয়েছে। যা এই বর্ষার মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতেই টিন দিয়ে পানি পড়ে। আর এই পানিতে অফিসের অনেক আসবাবপত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নষ্ট হচ্ছে।
 

কালাই উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, আমি এই বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর সুপারিশসহ একাধিকবার লিখিতভাবে আবেদন জানিয়েছি। বরাদ্দ পেলে দ্রুত কেন্দ্রগুলোর নির্মাণ কাজ করা হবে।