আড়াইহাজারে বিয়ে বাড়িতে হামলা, পুলিশসহ আহত ৩০

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০১৬, ১৯:৫১
 
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলায় একটি বিয়ে বাড়িতে হামলা, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ৪০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়েছে। সংঘর্ষে ভাঙচুর করা হয় গোপালদী পৌরসভার মেয়রের গাড়ি। শুক্রবার পোনে দুইটার দিকে বিশনন্দী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
 
জানা গেছে, গোপালদী পৌরসভার মেয়র এমএ হালিম শিকদারের মামাতো ভাই রামচন্দ্রদী গ্রামের দুলাল মিয়ার সঙ্গে বিশনন্দী গ্রামের রিপন মিয়ার মেয়ে সোনিয়া আক্তারের বিয়ে হয় শুক্রবার দুপুরে। তবে বিয়ের আগে দুপুর ১২টার দিকে  বিশনন্দী গ্রামের রুহুল ও রনিসহ ১০-১২ জন গিয়ে বিয়ে বন্ধ রাখতে বলে। এর মধ্যে দুপুর পোনে দুইটার দিকে বরপক্ষ চলে আসে যেখানে বরযাত্রী হিসেবে মেয়র হালিম শিকদারও উপস্থিত ছিলেন। বিয়ের পর দুইটার দিকে আবারও হুমকি দেয়া হয় বরযাত্রীদের। শুরু হয় কনে ও বরপক্ষের লোকজনদের সঙ্গে হামলাকারীদের সংঘর্ষ। চলে ২ ঘন্টা ব্যাপী। ওই সময়ে মেয়রকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। ভাঙচুর করা হয় তার গাড়িসহ কনের বাড়িতে থাকা বিয়ের আসবাবপত্র ও অন্য জিনিসপত্র।
 
পরে থানার ওসি সাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। কনের বাবা রিপন মিয়া জানান, সকালে রনি ও রুহুল সহ আরো কয়েকজন এসে বিয়েতে বাধা দেয়। পরে দুপুরে বরপক্ষ আসলে বিয়ে পড়ানো হয়। কিন্তু এর পরেই শুরু হয় হামলা। তিনি আরো জানান, রুহুল আমার মেয়েকে বিয়ে করতে চেয়েছিল। আমি দিতে রাজি হয়নি। তাই এই হামলা চালায়।
 
বিশনন্দীর জাকির হোসেন জানান, বিশনন্দী গ্রামের আরজুসহ অন্তত ৬-৭ জন   আহত হয়েছে। রহুলের নিকট সোনিয়ার বিয়ে দেয়ার কথা ছিল। মেয়ের পক্ষ অন্য জায়গায় বিয়ে দেয়ায় এই ঘটনা ঘটে।
 

আড়াইহাজার থানার ওসি সাখাওয়াত হোসেন জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ কমপক্ষে ৪০ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়েছে। সংঘর্ষে পুলিশের বেশ কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছে। বর্তমানে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।