ভাঙ্গায় বেড়েছে নদী ভাঙনের তীব্রতা

আপডেট : ০৮ আগস্ট ২০১৬, ০১:২৮
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার নাসিরাবাদ ইউনিয়নের দরগা বাজার এলাকা ও নদী তীরবর্তী গ্রামবাসীর বাড়ীঘর নদীগর্ভে বিলীনের উপক্রম হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও গ্রামবাসী মিলিতভাবে ভাঙন রোধের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। গত কয়েকদিন ধরে আড়িয়াল খাঁ নদীর তীব্র স্রোতে শতাধিক মিটার নদীর পাড় ও আঞ্চলিক সড়কের দুই তৃতীয়াংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ফলে ভাঙ্গা বিশ্বরোড তাড়াইল বাসষ্ট্যান্ড হতে সদরপুরগামী সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
 
গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নদী ভাঙতে ভাঙতে সড়কটির অধিকাংশ জুড়ে গভীর ফাটল দেখা দেয়। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর হোসেন ও উপজেলা চেয়ারম্যান শাহাদাত্ হোসেন ঘটনাস্থলে আসেন। এ সময় ভাঙ্গা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী উপ-প্রকৌশলী আব্দুল কাদের-সহ স্থানীয় গ্রামবাসীর দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে ভাঙন রোধের চেষ্টা চালায়। গত শুক্রবার আঞ্চলিক সড়কটির ফাটল দেখা দেওয়া অংশ ধীরে ধীরে নদীগর্ভে বিলীন হতে থাকে। সড়কের বাকি ভাঙনস্থলে বালুর বস্তা, বাঁশ, লম্বা বালুর বস্তা, মেহগনি গাছ ফেলে ও বালুর ড্রেজার ব্যবহার করে ভাঙন রোধে কাজ করে যাচ্ছে সবাই।
 
উপজেলা চেয়ারম্যান শাহাদাত্ হোসেন জানায়, ফরিদপুর-৪ আসনের এমপি মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন ভাঙনকবলিত এলাকা এরই মধ্যে পরিদর্শন করেছেন। তিনি বিআইডব্লিউটিসি’র ড্রেজার এনে নদী খনন করে নদীর গতি পথ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
 
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, জেলা প্রশাসক মহোদয়ের অনুমতি সাপেক্ষে আমাদের সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। দুর্যোগ মোকাবিলায় আমরা সকলকে সঙ্গে নিয়ে একযোগে কাজ করছি।
 
সড়কটি স্থানীয় নদীর বাঁধ হিসাবেও কাজ করছে। সড়ক ভেঙে পানি ভেতরে প্রবেশ করলে বন্যার সৃষ্টি হতে পারে। ফলে আতঙ্কে সময় পার করছেন এলাকাবাসী।