তীব্র স্রোতে দৌলতদিয়ায় তিনটি ফেরিঘাট ভেঙে গেলে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল মারাত্মক ব্যাহত হয়। এ অবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে পাইলিং ও বালুর বস্তা ফেলে তিন নম্বর ঘাটটি চালু করা হয়েছে। এতে ডাম্প ও কে-টাইপ ফেরিযোগে যানবাহন আনা-নেয়া হচ্ছে। কিন্তু নড়বড়ে পন্টুনের কারণে রো-রো ফেরি ভিড়তে পারছে না। এতে উভয় ঘাটে যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়া অন্য ঘাটগুলো দু-তিনদিনের মধ্যে ফেরি চলাচল উপযোগী বলে জানা গেছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগ দৌলতদিয়া ঘাটে নতুন রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু করছে।
বিআইডব্লিউটিসির কর্মকর্তারা অভিযোগ করেন, বিআইডব্লিউটিএ’র কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গাফেলতি ও নিযুক্ত ঠিকাদারের উদাসীনতায় সময়মতো ঘাট মেরামত বা সংস্কার করা হয়নি। যার কারণে এ ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিএ’র আরিচা জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী নিজাম উদ্দিন পাঠান জানান, জরুরি মেরামতের ফলে দৌলতদিয়ায় একটি ঘাট চালু করা সম্ভব হয়েছে। তবে ফেরি সংস্থার ত্রুটিপূর্ণ পন্টুনের কারণে রো-রো ফেরি ঘাটে ভিড়তে পারছে না। বাকি ঘাটগুলো ২-৩ দিনের মধ্যে চালু করা সম্ভব হবে।
বিআইডব্লিউটিএ’র আরিচা জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী নিজাম উদ্দিন পাঠান জানান, জরুরি মেরামতের ফলে দৌলতদিয়ায় একটি ঘাট চালু করা সম্ভব হয়েছে। তবে ফেরি সংস্থার ত্রুটিপূর্ণ পন্টুনের কারণে রো-রো ফেরি ঘাটে ভিড়তে পারছে না। বাকি ঘাটগুলো ২-৩ দিনের মধ্যে চালু করা সম্ভব হবে।
বিআইডব্লিউটিএ’র ড্রেজিং ইউনিটের নির্বাহী প্রকৌশলী আ. স. ম মাশরাফুল আরেফিন জানান, পদ্মার স্রোত ভিন্ন দিকে প্রবাহিত ও চ্যানেল প্রশস্ত করতে দৌলতদিয়া ঘাট বরাবর ড্রেজিং কাজ আজ মঙ্গলবার শুরু হবে। এতে ঘাট স্থাপন ও স্রোত ভিন্ন দিকে নেয়া সহজ হবে। এ লক্ষ্যে ‘পদ্মা’ ও ৩১৩৬’ নামে সংস্থার নিজস্ব দু’টি ড্রেজারের পাইপ স্থাপন কাজ চলছে যাতে মঙ্গলবার মাটি অপসারণ কাজ শুরু হবে।
বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম জানান, বর্তমানে চালু তিন নম্বর ঘাটের একটি র্যাম দিয়ে সীমিত আকারে গাড়ি ওঠানামা করছে। ঘাট সংকটে শুধুমাত্র ছোট ৫-৬টি ফেরি দিয়ে ছোট গাড়ি পার হচ্ছে। যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক ও অন্যান্য গাড়ি পারাপার বন্ধ রাখা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পঙ্কজ ঘোষ বলেন, ঘাটের অচলাবস্থা কাটাতে সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগ রাত-দিন কাজ করছেন। হয়তো এ সমস্যা আরো দুই-একদিন থাকতে পারে। আশা করি মঙ্গলবার সন্ধ্যা নাগাদ অন্তত একটি ঘাট পুরোদমে চালু হবে। এতে করে কিছুটা হলেও দুর্ভোগ কমে আসবে।
ইত্তেফাক/ এ এন
