কালিহাতীর পশ্চিমে রয়েছে বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল। যমুনা এবং এর শাখা নদী ধলেশ্বরীর পূর্ব প্রান্ত ঘিরে এই চরাঞ্চলের গোহালিয়া বাড়ি, দুর্গাপুর, সল্লা এবং দশকিয়া ইউনিয়নের মানুষের কাছে দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে কলা আবাদ। সেই সঙ্গে লাভবানও হচ্ছেন কৃষক। গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন প্রজাতির কলা চাষ করে একদিকে যেমন কৃষকদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটছে অন্যদিকে দিন দিন বেড়ে চলেছে চরাঞ্চলের অর্থনৈতিক গুরুত্ব। কালিহাতীর চরাঞ্চলের চরপৌলি, পাথাইলকান্দি, জোকারচর, আলীপুর, আফজালপুর, ধলাটেঙ্গর প্রভৃতি এলাকায় সরেজমিন দেখা গেছে, মাঠের পর মাঠ জুড়ে রয়েছে কলার বাগান। কেউ কেউ বাড়ির উঠোনেও কলার চাষ করছেন। এসব এলাকায় সাধারণত শবরি, চাঁপা, সাগর, মদনি, আনাজি ইত্যাদি জাতের কলার আবাদ করা হচ্ছে। কলা চাষে তুলনামূলকভাবে খরচ কম। তবে নিয়মিত পরিচর্যা করতে হয়। প্রতিটি কলার ছড়িতে গড়ে ২৫০ থেকে ৩শ’টি করে কলা থাকে। কলাচাষিরা ছড়ি হিসেবে অথবা বাগান ধরে পাইকারদের কাছে কলা বিক্রি করেন।
