রাজশাহীর বাগমারায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ব্যক্তি পরিচয় দুইদিন পর পাওয়া গেছে।
নিহত আনোয়ার হোসেন ওরফে নাইম নওগাঁর মান্দা উপজেলার গণেশপুর ইউনিয়নের উত্তর পারইল গ্রামের মৃত লোকমান হোসেনের ছেলে। রোববার রাতে রাজশাহীর বাগমারায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে আনোয়ার হোসেন নিহত হন।
মান্দা থানার এসআই এমদাদুল হক বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে ছবি দেখে আনোয়ারকে শনাক্ত করেন তার মা শুরুজ্জান বেওয়া ও আনোয়ারের ১৩ বছর বয়সী মেয়ে।
রাজশাহীর এসপি মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, আনোয়ার হোসেন জেএমবির মধ্যম সারির নেতা ছিলেন। এছাড়া তার পরিবারের সবাই জেএমবির কর্মকাণ্ডে জড়িত। আনোয়ারের দ্বিতীয় স্ত্রী রিমা, বড় ভাই ইউসুব আলী ও ইউসুবের ছেলে খায়রুল ইসলাম বগুড়া কারাগারে আটক আছেন। এছাড়া আনোয়ারের আরও তিন ভাই হায়দার আলী, দেলোয়ার হোসেন ও মোয়াজ্জেম হোসেন এবং ইউসুবের ছেলে মেহেদি হাসান আত্মগোপনে আছেন বলে স্থানীয়রা জানান।
এসআই এমদাদুল বলেন, রাজশাহী জেলা গোয়েন্দা পুলিশ মান্দা থানায় আনোয়ারের ছবি পাঠালে তা তার বাড়ি নিয়ে পরিবারের সদস্যদের দেখানো হয়। পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা আনোয়ারকে শনাক্ত করেন। আনোয়ারের প্রথম স্ত্রী তালাক নিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন। দ্বিতীয় স্ত্রী রিমাও জেএমবির সঙ্গে জড়িত। রিমা দুই বছরের ছেলেকে নিয়ে বগুড়া কারাগারে রয়েছেন। বিডিনিউজ।
