দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরি পারাপারে অচলাবস্থা এখনো কাটেনি

আপডেট : ১০ আগস্ট ২০১৬, ০০:৪০
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরি পারাপারে অচলাবস্থা এখনো কাটেনি। গতকাল মঙ্গলবার বিকাল পর্যন্ত দৌলতদিয়ার চারটির মধ্যে তিনটি ঘাট বন্ধ ছিল। চালু থাকা শুধু তিন নম্বর ঘাটের একটি র্যাম দিয়ে সীমিত আকারে ছোট গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স ও যাত্রী পারাপার হচ্ছিল।
 
এদিকে নদী পাড়ি দিতে না পারায় দৌলতদিয়া ঘাটে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে আটকে আছে তিন শতাধিক যানবাহন। এতে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে এসব গাড়ির চালক ও সহকারী।        বিআইডব্লিউটিএ’র আরিচা জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী নিজাম উদ্দিন পাঠান জানান, দৌলতদিয়ার ৪, ৩ ও ২ নং ফেরিঘাট নির্মাণ শেষ করা হয়েছে। নব নির্মিত সড়ক ব্যবহারের জন্য সড়ক ও জনপথ বিভাগ উন্মূক্ত করলে যানবাহন চলাচল করতে পারবে। ১ নং ঘাটটি নতুন এলাকায় স্থাপনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। উপসহকারী প্রকৌশলী শাহ আলম জানান, সোমবার রাতে ১ নম্বর ঘাটের প্রায় ৮০ ফুট ও দুই নম্বর ঘাটের প্রায় ৪০ ফুট নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।
 
বিআইডব্লিউটিসি’র এজিএম জিল্লুর রহমান জানান, দূরপাল্লার কোচ, ট্রাকসহ অন্য যানবাহন যমুনা সেতু বা মাওয়া ঘাট দিয়ে চলাচলের পরামর্শ দেওয়ায় পাটুরিয়া ঘাটে গাড়ির চাপ কমে  এসেছে। তবে দৌলতদিয়ায় যানবাহনের সংখ্যা বেশি। বেশ কিছু বাস ও ট্রাক গত ৫-৬দিন ধরে আটকে আছে।
 
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়ার ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম জানান, ৩ নম্বর ঘাট দিয়ে সীমিত আকারে পারাপার চলছে। ৪ নম্বর ঘাটটি মঙ্গলবার রাতে চালুর চেষ্টা চলছে। এছাড়া ২ নম্বর ঘাটটি চলাচলের উপযোগী করলেও তীব্র স্রোতে ফেরি ভিড়তে না পারায় কার্যত বন্ধ রয়েছে। আর ১ নম্বর ঘাটের ভাঙন অব্যাহত থাকায় সেটি এই মুহূর্তে চালু করা যাচ্ছে না।
 

ইত্তেফাক / এ এন