নিকলীর ধনু, সোয়াইজনি, ঘোড়াউত্রা ও নরসুন্দা নদীতে নৌকায় ঘুরলে দূর থেকে মনে হবে একটু পর পর বুঝি ঝাঁকে ঝাঁকে শীতের অতিথি পাখি। কিন্তু খেয়াল করলে দেখা যাবে, এগুলো হাঁস। আর ছোট এক বা একাধিক নৌকায় বসে হাঁসের ঝাঁক নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। এরা হাঁসের খামারের লোক। উপজেলার নদীগুলোকে কেন্দ্র করে প্রায় ৫শ’ ছোট-বড় হাঁসের খামার গড়ে উঠেছে। হাঁসগুলো নদীতে খেয়ে খামারে ডিম দেয়। প্রায় ২৯ বছর আগে নিকলীর নগর গ্রামের তিন বন্ধু ইসরাইল মিয়া, আলী হোসেন ও মঞ্জিলহাটির রহিম মিয়া মিলে নিজেদের বাড়িতে ৫০-৬০টি করে হাঁস পালন করতে শুরু করেন। দু’বছর পর হঠাত্ ডাকপ্লেগ রোগে হাঁসগুলো মারা গেলে তারা হতাশ হয়ে পড়েন। কিন্তু ওই দুই বছরে তাদের হাঁস পালন ও ডিম বিক্রিতে লাভ দেখে মহরকোনা গ্রামের জিল্লু মিয়া হাঁস পালন শুরু করেন। ৩শ’ হাঁস নিয়ে তিনি খামার শুরু করেন এখন তার খামারে ৫হাজার হাঁস রয়েছে।
