সিলেটে পুত্র খুনের দুই বছর পর পিতাকেও নৃশংসভাবে হত্যা

আপডেট : ২১ আগস্ট ২০১৬, ০৭:১৭
 
সিলেট নগরীতে পুত্র খুনের দুই বছর পর এবার পিতা নৃশংস ভাবে খুন হলেন প্রতিপক্ষের ধারালে অস্ত্রের আঘাতে। প্রতিপক্ষরা পিতাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে যখম করেই ক্ষান্ত হয়নি তারা তার দেহের অংশ বিশেষ বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর ও শেখঘাট খুলিয়াপাড়ার বাসিন্দা শাহানা বেগম শানুর স্বামী তাজুল ইসলাম এবার দুর্বৃত্তদের হাতে নৃশংসভাবে খুন হলেন। তাজুল সেচ্ছাসেবক দল-এর নেতা।  এর আগে ২০১৪ সালের ২৬ জানুয়ারি প্রকাশ্য দিবালোকে শানুর ছেলে মদনমোহন কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র সোহান আহমদ খুন হয়।
 
শনিবার রাত পৌনে ১১টার দিকে খুলিয়াটুলা গরম দেওয়ান মাজারের সম্মুখে দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে রাস্তায় ফেলে গেলে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। রাত সোয়া ১১টার দিকে কর্তব্যরত চিকিত্সক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত তাজুলের ভাই নূরুল ইসলাম জানান, পূর্ব শত্রুতার জের ধরেই এই খুনের ঘটনা।
 
সূত্র জানায়, তাজুল ইসলাম ঐ সময় বাসায় ফিরছিলেন। পথে মোটর সাইকেলযোগে আসা তিন যুবক তার গতিরোধ করে প্রথমে তার চোখে চুন ছিটিয়ে দেয়। এরপর তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে শরীরের কয়েকটি অঙ্গ তার দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাস্তায় ফেলে যায়। 
 
কোতয়ালি থানা পুলিশ জানায়, শনিবার রাতে শানুর স্বামীকে আহত অবস্থায় ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হলে পরে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। খবর পেয়ে কোতয়ালি থানার ওসি সোহেল আহমদসহ সংশ্লিষ্টরা হাসপাতালে যান। এদিকে এই খুনের ঘটনায় মহল্লায় চাপা উত্তেজনা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।