জ্যামাইকান উসাইন বোল্ট আগেই জানিয়েছিলেন রিও অলিম্পিকে সুযোগ পেলে নেইমারের সাথে দেখা করবেন তিনি। তাছাড়া তিনি নিজে ফুটবল খেলাটা ভালোবাসেন কিংবা পছন্দ করেন সেটা আগে থেকেই জানা ছিল। যে শহরে এক জায়গায় দাঁড়িয়ে
অলিম্পিকের চার চারটি সোনার পদক জয় করেছেন সেই শহরেই ফুটবল ফাইনাল, সোনার লড়াইয়ে দক্ষিণ আমেরিকার ব্রাজিল আর ইউরোপীয়ান শক্তি জার্মানি। ফুটবলের এমন লড়াই না দেখে কি পারা যায়। তার উপর বোল্টও তো আরেক সোনায় মোড়ানো অ্যাথলেট। গিয়ে ছিলেন মারাকানায়। ভিআইপি গ্যালারিতে। নেইমারের গোলটাও দেখলেন।
দারুণ এক গোল দেখে হাত নাড়লেন সুন্দর গোলের জন্য অভিনন্দনও জানালেন। কানে হেডফোন লাগিয়ে, মাথার ক্যাপটা উল্টা করে রাখা। বোল্ট এসেছেন ফুটবল খেলা দেখতে। ব্যাস অমনি খবর হয়ে গেলো ভিআইপি গ্যালারির দর্শক বোল্টের দিকে ছুটলেন। বোল্ট অন্যদের পেছনে ফেলে এগিয়ে যান। আর ভক্তদের ছুটে আসা দেখে পিছপা হন না। দুরে গিয়ে দাঁড়িয়েও শান্তি নেই। খ্যাতির বিড়ম্বনা। বাঁধা হয়ে দাঁড়লেন নিরাপত্তা কর্মকর্তারা। তার পরও কে মানে ?
উপচে পড়া দর্শক হাত মেলাতে চাইলেন। দর্শক ভিড়ে ব্রাজিলের পপ ষ্টারও ছিলেন বাবা মেয়ে দুইজনেই গান করেন। কিন্তু নাম জানা গেল না। মোবাইলে ছবি তোলার হিড়িক পড়ল। কিছুতেই সরানো যাচ্ছিল না দর্শকদের। তাই হয় তো বেশি সময় খেলাটা দেখতে পারলেন না বোল্ট। বোল্টের মতো করে পরিচিত সেই অঙ্গ ভঙ্গী করে সবার দৃষ্টি কেড়ে নেন নেইমার।
বোল্ট চলে যাওয়ার সময় মনে মনে কি বললেন, আমি একজন দৌড়াই পুরো স্টেডিয়ামে দর্শক ভরে যায়। এখানে ২২ জন দৌড়ায় পুরো স্টেডিয়াম ভরে যায়।
ইত্তেফাক/এসএসএ
