চট্টগ্রামের আনোয়ারায় বিসিআইসির নিয়ন্ত্রণাধীন ডাই অ্যামোনিয়াম ফসফেট (ড্যাপ) সার কারখানায় অ্যামোনিয়া গ্যাস লিকেজের ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে প্রধান করে এ কমিটি গঠন করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।
একইসঙ্গে গ্যাস লিকেজের কারণ অনুসন্ধানের পাশাপাশি ডিএপি প্ল্যান্টের কর্মকর্তাদের গাফিলতি থাকলে তা খতিয়ে দেখবে কমিটি।
সোমবার রাতে সাড়ে ১১টার দিকে ওই কারখানায় গ্যাস লিকেজ হলে কয়েক কিলোমিটার এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে অ্যামোনিয়া গ্যাস।
আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন। তিনি বলেন, কারখানার পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে।
উল্লেখ্য, গত রাতে চট্টগ্রাম ড্যাপ সার কারখানায় অ্যামোনিয়া গ্যাস ট্যাংকে লিকেজের কারণে গ্যাস ছড়িয়ে পড়লে শ্বাসকষ্টে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এদের মধ্যে ৫/৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। অসুস্থ অন্তত ৪০ জনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া আরও বেশ কয়েকজনকে কারখানার স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা গেছে, ড্যাপের দুটি ইউনিটের মধ্যে বন্ধ প্রথম ইউনিটের ট্যাংকটিতেই ঐ দুর্ঘটনা ঘটে। গত কয়েকদিন ধরে কারিগরি ত্রুটির কারণে এই ইউনিটটি বন্ধ রয়েছে। প্রতিটি ইউনিটের ২৪ ঘণ্টায় ৮শ টন ড্যাপ সার উত্পাদন ক্ষমতা থাকলেও বাস্তবে দেড়শ থেকে দুশ টন সার উত্পাদন হয়। ড্যাপ সার কারখানার উত্পাদন বিভাগের কর্মকর্তা দীপু সুলতান জানান, দুর্ঘটনার পর পর অ্যামোনিয়া গ্যাস দ্রুত বাতাসে মিশে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে রাতের শিফটে প্ল্যান্টে কর্মরত লোকজন বেশি আক্রান্ত হয়।
