সাইবার নিরাপত্তায় 'দুর্বলতম' অবস্থানে এশিয়া

আপডেট : ২৬ আগস্ট ২০১৬, ১২:০৬
বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে সাইবার অপরাধ দমনে শক্তপোক্ত অবস্থানে থাকলেও এশিয়ার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সাইবার অপরাধ দমনে এখনো সতর্ক নয়। অর্থাৎ বিশ্বের সবচেয়ে দুর্বল সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েই চলছে এশিয়ার অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান। সম্প্রতি মার্কিন সিকিউরিটি কোম্পানি ম্যান্ডিয়ান্টের এক বছর ধরে পরিচালিত অনুসন্ধান প্রতিবেদনে এমনটিই ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে।
 
বলা হচ্ছে, এশিয়ায় সাইবার আক্রমণের শিকার হওয়া এবং তা শনাক্ত হওয়ার মধ্যবর্তী সময় ৫২০ দিন। বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে সাইবার আক্রমণের শিকার ও শনাক্ত করতে যে সময় নেয়া হয়, এটি গড় হিসাবে তার প্রায় তিন গুণ। দুর্বল সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সতর্কতা না থাকায় অন্য অঞ্চলের চেয়ে ৮০ শতাংশ বেশি হামলার শিকার হয় এশিয়ার প্রতিষ্ঠানগুলো।
 
ম্যান্ডিয়ান্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাইবার অপরাধীরা প্রতিটি হামলার ক্ষেত্রে গড়ে ৩ দশমিক ৭ গিগাবাইট ডাটা চুরি করতে সমর্থ হয়। অর্থাৎ এক হামলা থেকে এত বেশি ডাটা হাতিয়ে নেয়া মানে অনেক বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হওয়া, যেখানে থাকতে পারে হাজার হাজার ডকুমেন্ট। অর্থ বা তথ্যের দিক বিবেচনায় বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হলেও এশিয়ায় এ ধরনের অপরাধগুলো জনসম্মুখে প্রকাশ করা হয় না। কারণ এ অঞ্চলে সাইবার হামলার বিষয়গুলো প্রকাশের ক্ষেত্রে আইনি সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
 
বলা হচ্ছে, জরিপের অংশ হিসেবে ম্যান্ডিয়ান্ট অনুমোদনসাপেক্ষে একটি প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার নেটওয়ার্ক হ্যাক করে। উদ্দেশ্য হলো কতটা সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে ওই প্রতিষ্ঠান তা নিরুপন করা।
 
ম্যান্ডিয়ান্ট ছয় বছর ধরে বৈশ্বিক নিরাপত্তা প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে। কিন্তু এবারই প্রথম এশিয়াকে গুরুত্ব দিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে গত বছরের অনুসন্ধানের ওপর ভিত্তি করে।