কর্মস্থলে সংগীত পরিবেশনে কর্মচারীদের কর্মোদ্যম বৃদ্ধি পায় বলে নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি শিক্ষার্থীদের গবেষণায় বলা হয়, আনন্দের গান শোনা কর্মীদের মধ্যে দলের ভালোর জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রবণতা বেশি কাজ করে
গবেষণায় ১৮৮ জন আন্ডারগ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের কয়েকটি গ্রুপ ভাগ করে একটি কাজে নিয়োজিত করে পর্যবেক্ষণ করা হয়। একটি গ্রুপের শিক্ষার্থীদের ‘হ্যাপি প্লেলিস্ট’ বা আনন্দের গান শোনানো হয়। সেখানে তাদের ইয়েলো সাবমেরিন, ওয়াকিং অন সানশাইন, ব্রাউন আইড গার্ল ও হ্যাপি ডে এর থিম শোনানো হয়। আরেকটি গ্রুপকে আনহ্যাপি প্লে লিস্ট থেকে মেটাল ও কিছুটা দুর্বোধ্য ধরণের গান শোনানো হয়। সেখানে তাদের স্মোকাহন্টাস, ইউ অ্যাইন্ট নো ফ্যামিলি গান দুটি শোনানো হয়। আরেকটি গ্রুপকে কোনো গানই শোনানো হয়নি।
গবেষকরা পর্যবেক্ষণ করে দেখেছেন যাদের হ্যাপি প্লে লিস্ট থেকে গান শোনানো হয়েছে সেই গ্রুপের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সহমর্মিতা অন্য দুই গ্রুপের তুলনায় বেশি ছিল। সেই পার্থক্যটা অনেক বেশি, হ্যাপি প্লে লিস্ট থেকে গান শোনা ও গান না শোনা শিক্ষার্থীদের মধ্যে সহমর্মিতার পার্থক্যটা ছিল প্রায় ৩০ শতাংশ। আনহ্যাপি প্লে লিস্টের সঙ্গে সেই পার্থক্যটা ছিল ২০ শতাংশ। পর্যবেক্ষণ শেষে গবেষকরা বলেন, আনন্দের গান শোনা কর্মীদের মধ্যে দলের ভালোর জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রবণতা বেশি কাজ করে। ওয়াশিংটন পোস্ট।
ইত্তেফাক/এসএসএ
