পরীক্ষা প্রস্তুতির শুরুতেই দরকার একটি পরিকল্পনা। সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ এবং তার যথাযথ বাস্তবায়ন ভালো ফলাফলের ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। পূর্বে অপচয়কৃত সময়ের কথা ভুলে যাও। যতটুকু সময় আছে সেটাকেই কীভাবে সর্বোচ্চ ব্যবহার করা যায় সে চেষ্টাই করো।
একটা ভালো রুটিন সফল প্রস্তুতি নিতে সাহায্য করবে। রুটিন মাফিক পড়াশোনা করো, রেজাল্ট আশানুরূপ হবেই। কারো বানানো রুটিন না, সবচেয়ে বেটার হয় তোমাদের সুবিধা মতো নিজে রুটিন তৈরি করা। কোন কোন বিষয়ে বেশি দুর্বল সেই বিষয়গুলোতে বেশি সময় দাও। কোনো বিষয়কে গুরুত্বহীন ভাববে না। মনে রাখবে, ভালো রেজাল্ট করতে হলে সকল সাবজেক্টই ভালো করতে হবে।
রুটিন শুধু পড়াশোনার জন্য নয়, এ সময়ে তোমাদের খাওয়া-দাওয়া, বিশ্রাম, খেলাধুলা সবই তোমাদের রুটিন মাফিক করে নেবে।
নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পরিহার করবে। আমি পারবো না, বা আমার দ্বারা হবে না এরকম দৃষ্টিভঙ্গি পড়াশোনায় খারাপ প্রভাব ফেলে। মনের এলোমেলো চিন্তাগুলি দ্রুত সরিয়ে ফেলতে হবে। সার্বিক প্রস্তুতি তোমার প্রত্যাশানুযায়ী না হয়ে থাকলেও দুশ্চিন্তা করবে না। তোমার যেটুকু পুঁজি আছে সেটুকু পূর্ণ কাজে লাগাবার চেষ্টা করো।
অন্য ছাত্রদের সাথে নিজেকে তুলনা করো না। অন্যদের প্রস্তুতির সাথে নিজের প্রস্তুতি তুলনা করো না। এটা তোমাকে হতাশ করা ছাড়া কোনো ফলাফল দেবে না।
পরিমিত এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নাও। এটা তোমাকে পরবর্তী পরিশ্রমের রসদ যোগাবে।
পড়ার সময় পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে পড়বে। দয়া করে পড়ার সময় ফোন হাতে নেবে না। ফেসবুক থেকে বাইরে থাকা ভালো। পরীক্ষার আগে আমরা যতটা প্রস্তুতি নেই, তারচেয়ে বেশি টেনশন করি। টেনশন করবে না, পড়া মনে রাখার জন্য ফ্রেশ মাইন্ড খুবই দরকারি।
বারবার রিভিশন দাও। একদিনে মুখস্থ করে রেখে দিলে পরে ভুলে যাবে। বারবার রিভিশন কঠিন জিনিসও মনে রাখতে বাধ্য করবে।
আত্মবিশ্বাস রাখো। নিজের সামর্থ্যের ওপর আস্থা রাখো। যে যাই বলুক, তুমি তো জানোই চেষ্টা করলে কেউ তোমাকে আটকাতে পারবে না।
