জার্মান আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালন

আপডেট : ৩১ আগস্ট ২০১৬, ১৮:৫০
বঙ্গবন্ধুকে হারিয়ে বাঙালি জাতি তথা বাংলাদেশের যে ক্ষতি হয়েছে তা অপূরণীয়। বাঙালিদের জাতীয় চেতনাকে ধ্বংস করার জন্য দেশি-বিদেশি চক্রান্তকারীরা এ কাজ করেছিল। শোককে শক্তিকে পরিনত করে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার পিতার অসমাপ্ত কাজগুলো করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশকে দারিদ্র্যমুক্ত একটি দেশ হিসেবে বিশ্বের দরবারে মাথা উচু করে দাঁড়াতে এই মুহূর্তে শেখ হাসিনার বিকল্প নাই। তার সঠিক দিক নির্দেশনায় বাংলাদেশ থেকে জঙ্গিদের শিকড় সমূলে উৎপাটন করা হবে। এ কারণে সবাইকে সব ধরনের বিতর্কের উর্ধ্বে উঠে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।
 
গত রবিবার ফ্রাঙ্কফুর্টের গ্যালোস হাউসে জার্মান আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সর্ব ইউরোপীয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি অনিল দাশ গুপ্ত এ কথা বলেন।
 
জার্মান আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম বশিরুল আলম চৌধুরী সাবুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন জার্মান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ বাদল আহমেদ।
 
জার্মান আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম খালেদের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জার্মান আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মনি হায়দার, সহ সভাপতি নরে হাসনাত শিপন, জিল্লুর রহমান, আব্দুল মান্নান, জাহাঙ্গীর হোসেন, মিজানুল হক খান, ইউনুছ খান, আজহার হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, নুরজাহান নুরী, মিজানুর রহমান বাবু, জাহিদুল ইসলাম পুলক, হালিম নুর, গোলাম কিবরিয়া (বড় মনি), সাংগঠনিক সম্পাদক আনিছ তালুকদার, আব্বাস আলী খান, শেখ সুমন, জার্মান যুবলীগের সভাপতি দেওয়ান আরেফীন টিপু, সাধারণ সম্পাদক আশফাক নিশাত বাপ্পী, বার্লিন আওয়ামী লীগ সভাপতি মাসুদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক নুরে আলম সিদ্দীক রুবেল, নদরাইন বেসফালের সভাপতি যুবরাজ তালুকদার, মুনশন আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহমুদ রাসেল, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান প্রমুখ।
 
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সর্ব ইউরোপীয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি বঙ্গবন্ধুর খুনি পলাতক রিসালদার মোসলেহ উদ্দিনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘আমরা শুনেছি সে নাকি হামবুর্গে থাকে। তাকে খুঁজে বের করে বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় দেশে ফেরত পাঠাতে আমরা কাজ করবো।’
 
আলোচনা সভার শুরুতে বঙ্গবন্ধুসহ সকল শহীদদের স্মরণে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করা হয়। সবশেষে মিলাদ মাহফিলে শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। ইত্তেফাক/ইউবি