৭ প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি পেলো ‘বেসিস সফট এক্সপো ২০১৯’ পুরস্কার

আপডেট : ২৩ মার্চ ২০১৯, ২১:২৩

মোজাহেদুল ইসলাম ঢেউ

 

সদ্য শেষ হলো তিন দিনের আয়োজন ‘বেসিস সফট এক্সপো ২০১৯’। এটি ছিল বেসিস-এর ১৫তম আয়োজন। সমাপনী অনুষ্ঠানে অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিল পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। এতে মোট ছয়টি প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হয়।

১৫তম বেসিস সফট এক্সপোর পার্টনার হিসেবে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তিমন্ত্রী এবং অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মোস্তাফা জব্বারের কাছ থেকে ক্রেস্ট গ্রহণ করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল, Leveraging ICT for Growth, Employment and Governance Project (LICT), আইসিটি বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল (আইবিপিসি), ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড। পাশাপাশি, অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির কাছ থেকে এবারের বেসিস সফট এক্সপোর সেরা স্টলের পুরস্কার গ্রহণ করে ‘এনভিজিও’। সেরা মিনি প্যাভিলিয়ন নির্বাচিত হয় ‘ইরা ইনফোটেক’। আর সেরা প্যাভিলিয়নের পুরস্কার জিতে নেয় ‘টাইগার আইটি’।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কম্পিউটার সোসাইটির সহ-প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ মূসাকে আজীবন সম্মাননা (মরণোত্তর) প্রদান করা হয়। মুহাম্মদ মূসার দুই কন্যা এবং পরিবারবর্গ প্রধান অতিথির কাছ থেকে আজীবন সম্মাননা (মরণোত্তর) গ্রহণ করেন। এ সময় সম্মাননা প্রদানের জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান মুহাম্মদ মূসার পরিবারবর্গ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে শ্যাডো ড্যান্সিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতার চেতনাকে তুলে ধরা হয়। নজরকাড়া লেজার শো ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা, তথ্য-প্রযুক্তির পালাবদলে স্থানীয় তথ্য-প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানসমূহের অবদান এবং স্থানীয় তথ্য-প্রযুক্তি খাতের সক্ষমতা তুলে ধরার ক্ষেত্রে বেসিস আয়োজিত বেসিস সফট এক্সপো’র সাফল্য তুলে ধরে। স্থানীয় লোকসংগীতের পাশাপাশি ছিল সেক্সোফোনে সংগীত পরিবেশনাও।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর বলেন, দেশের সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্প্রসারণে এ এক্সপোর আয়োজন করা হয়। এতে প্রায় আড়াইশো প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। তিনদিনে আমরা নানা আয়োজনে দেশে এবং বিদেশে স্থানীয় তথ্য-প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা তুলে ধরতে সফল হয়েছি।

পাশাপাশি, বেসিস সফট এক্সপো’র আয়োজন সফল করতে অনুষ্ঠান সহযোগীদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, দেশীয় সফটওয়্যার নির্মাতাদের জন্য বেসিস সফট এক্সপো এ অঞ্চলের সর্ববৃহত্ একটি প্ল্যাটফর্ম। স্থানীয় তথ্য-প্রযুক্তি খাতের অগ্রগতি ডিজিটাল বাংলাদেশের মূল ভিত্তি। ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হচ্ছে স্থানীয় তথ্য-প্রযুক্তি খাতের নিরলস অবদানের কারণেই। বেসিস সফট এক্সপো স্থানীয় তথ্য-প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা তুলে ধরেছে। সরকারি-বেসরকারি খাতে দেশি সফটওয়্যারের গুণগত আর কৌশলগত মান তুলে ধরতে বেসিস কাজ করে যাবে বলেও দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধান অতিথি।

বেসিস সফট এক্সপোর আহ্বায়ক এবং বেসিসের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ফারহানা এ রহমান বলেন, এবারের আসরে আমরা সারাদেশ থেকেই প্রচুর সাড়া পেয়েছি। দেশ-বিদেশ থেকে বক্তারা এসেছেন। নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ছিল উইমেন জোন। শিক্ষার্থীরা  প্রতিটি স্টলেই সিভি জমা দিয়েছে। ছিল বি-টু-বি ম্যাচমেকিং, জাপান ডে, কর্পোরেট আওয়ার। বিজনেস লিডারশিপ মিটে অংশ নেন পাঁচ শতাধিক কর্পোরেট হাই অফিশিয়াল।  আমরা সবাইকে নিয়ে বড় পরিসরে সমগ্র আয়োজনটি করেছি।