যুদ্ধাপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মীর কাসেম আলীর ফাঁসি কার্যকর করতে সরকারের নির্বাহী আদেশ গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে পৌঁছেছে।
শনিবার দুপুরের পর সরকারের আদেশ হাতে পৌঁছেছে বলে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর জেলার নাশির আহমেদ জানান।
মীর কাসেমের ফাঁসি কখন কার্যকর হবে সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানা যায় নি।
এদিকে, ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত মীর কাসেম আলীর সঙ্গে শেষ সাক্ষাতের জন্য পরিবারে ৪৬ সদস্য কারাগারে গেছেন। কারা সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বেলা তিনটা ৪০ মিনিটে ছয়টি মাইক্রোবাসে করে কাসেম আলীর স্ত্রী, ছেলে, ছেলের বউ, তাদের শিশু সন্তান ও স্বজনসহ ৪৬ জন কেন্দ্রীয় কাশিমপুর কারাগারে উপস্থিত হয়। তাদের মধ্যে ২৬ জনকে সাক্ষাতের জন্য অনুমতি দেয়া হবে।
জেল সুপার প্রসান্ত কুমার বণিক তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
আজ শনিবার সকাল থেকে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা কাশিমপুর কারাগারের সড়কে এবং আশপাশের এলাকায় অবস্থান নিয়েছেন। সেই সঙ্গে রয়েছে কমিউিনিটি পুলিশের সদস্যরা।
গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ জানান, শুধু কাশিমপুর এলাকা নয়, নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুরো গাজীপুর জেলায় নেয়া হয়েছে। এজন্য টঙ্গী, স্টেশন রোড, বোর্ডবাজার, ভোগড়া বাইপাস মোড়, চান্দনা চৌরাস্তা, গাজীপুর শহর, রাজেন্দ্রপুর, কোনাবাড়ি ও চন্দ্রা এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এসব এলাকায় সর্বাত্মক সতর্কতা বজায় রাখার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
রায় কার্যকরকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। কাশিমপুর কারাগারের সামনে মূল কারা ফটকে বাড়ানো হয়েছে অতিরিক্ত কারারক্ষীর সংখ্যা।
ইত্তেফাক/এমআই
