'ছয়দফা' বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ: ঢাবি উপাচার্য

আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬, ১৯:৪১
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেছেন, 'ছয়দফা বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ। বাঙালি জাতিসত্তার কেন্দ্রে ছয়দফা সব সময় অবস্থান করে।'
 
রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নাজমুল করিম স্টাডি সেন্টারের উদ্যোগে আর সি মজুমদার আর্টস মিলনায়তনে 'ছয়দফা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি' শীর্ষক নাজমুল করিম স্মারক বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
 
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছয়দফা ঘোষণা করে বাঙালিদের একত্রিত করেছিলেন উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, 'বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে এ আন্দোলন জোরদার করতে তৎকালীন ছাত্র ও যুব সমাজ বিশেষ করে ছাত্রলীগের কর্মীরা ছয়দফা দেশের সর্বত্র সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়।'
 
ছয়দফা আন্দোলন, ছয়দফার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সময়ের আন্দোলন করতে গিয়ে বঙ্গবন্ধু যে অমানুষিক অত্যাচার ও জেল-জুলুম সহ্য করেছেন, তার ইতিহাস নতুন প্রজন্মকে জানতে হবে বলেও উল্লেখ করেন উপাচার্য।
 
ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে স্মারক বক্তৃতা প্রদান করেন ঢাবির বাংলা বিভাগের সংখ্যাতিরিক্ত অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. নেহাল করিম। বিষয়বস্তুর ওপর দীর্ঘ আলোচনা করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. নূহ-উল-আলম। 
 
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক তাঁর প্রবন্ধে বলেন, '১৯৬৬ সালের ৭ই জুনের হরতাল ও আন্দোলনের মধ্য দিয়েই ছয়দফার প্রতি পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের তুলনাহীন সমর্থন প্রমাণিত হয়। আর সেদিনই শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতীয়তাবাদী নেতা হিসেবে জনমনে দৃঢ় প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। ছয়দফার আন্দোলনের কারণেই শেখ মুজিবকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী করা হয়েছিল এবং এর জন্যই সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম কমিটির উদ্যোগে রমনার রেসকোর্স ময়দানে জনসভা করে তাঁকে সংবর্ধনা দিয়ে 'বঙ্গবন্ধু' খেতাব দেয়া হয়েছিল।'
 
ইত্তেফাক/এসএস