নেত্রকোনা জেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং লাভজনক ৩৫ কি.মি দীর্ঘ শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়লেও সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না। ঈদে নেত্রকোনার পূর্বধলা, দুর্গাপুর এবং কলমাকান্দায় রাজধানী বা দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজনের আসতে দুর্ভোগ পোহাতে হবে। পাঁচ ঘন্টার সড়ক যেতে লাগবে আট থেকে নয় ঘন্টা।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের এ সড়কটির নষ্ট হওয়ার অন্যতম কারণ দুর্গাপুর এবং জারিয়া থেকে প্রতিদিন ভেজা বালু ভর্তি দেড় হাজার ট্রাক ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় যায়। বালু ভর্তি ট্রাক থেকে পানি চুইয়ে পুরো সড়কটি কাদা পানিতে একাকার হয়ে পিচ উঠে গেছে। ফলে ২০ থেকে ৩০ টন ওজনের ট্রাকের চাপে সড়কটিতে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এটি দেখে মনে হবে যেন হাল চাষ করা ক্ষেত। আর একবার কোনো ট্রাক সড়কের কাদায় আটকে গেলে সারাদিন যান চলাচল একেবারে বন্ধ হয়ে যায়। লোকজনের তখন দুর্ভোগের সীমা থাকে না। তারপরও ঝুঁকি নিয়ে চলছে শত শত ট্রাক-বাসসহ অন্য যানবাহন।
সড়ক ও জনপথ সূত্রে জানা গেছে, ২০১২-১৩ অর্থবছরে শ্যামগঞ্জ- বিরিশিরি পর্যন্ত প্রায় ৩৭ কি.মি সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নেয় নেত্রকোনা সড়ক ও জনপথ বিভাগ। পাঁচটি ছোট সেতু ও ১০টি কালভাটসহ ৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটি সংস্কার করে। কিন্তু ২০১৪ সালের শেষ দিকে কার্পেটিং উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয় ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের।
এ বিষয়ে সংসদ সদস্য ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল এবং ছবি বিশ্বাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, চলতি শুষ্ক মৌসুমেই সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু করার জন্য উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
ইত্তেফাক/এএন
