গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভায় রাস্তা-ঘাটের বেহাল অবস্থা। পৌর এলাকার বেশিরভাগ রাস্তাই কাঁচা। পাকা রাস্তাগুলোও সংস্কারের অভাবে কার্পেটিং উঠে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষার সময় হাঁটুপানি জমে থাকে। কিন্তু পৌর কর্তৃপক্ষ রাস্তাঘাট উন্নয়নে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভা কার্যালয় সূত্র জানায়, ১৯৯৮ সালে গোবিন্দগঞ্জ ইউনিয়ন থেকে পৌরসভায় উন্নীত হয়। ১২ দশমিক ৭১ বর্গ কিলোমিটার আয়তন বিশিষ্ট এই পৌরসভায় মোট রাস্তা ৫২ দশমিক ২৯ কি.মি.। এরমধ্যে পাকা ৯ দশমিক ৮৯ কি.মি., আধাপাকা ১০ দশমিক ২৭ কিলোমিটার এবং কাঁচা ৩২ দশমিক ১৩ কিলোমিটার।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পৌর এলাকার রাস্তায় হাঁটুপানি জমে আছে। কোনো কোনো রাস্তায় এক থেকে দুই ফুট কাদা জমে আছে। বিশেষত পৌরসভার গোলাপবাগ হাট রোড, বালিকা বিদ্যালয় রোড, পৌরসভার পশ্চিম চৌমাথা থেকে বিএম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় রোড, প্রধান পাড়া থেকে খানাবাড়ি রোড, চক্ষু হাসপাতাল মোড় থেকে চাঁদপুর খলসি রোড, টিএনটি রোড, হিড়ক সিনেমা রোড এবং বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় রোডের অবস্থা খুবই করুণ। এর মধ্যে বর্ষা মৌসুমে প্রধানপাড়া এবং ঘোষপাড়া এলাকা কয়েক মাসব্যাপী জলাবদ্ধতা স্থায়ী থাকে।
প্রধান পাড়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুল হান্নান বলেন, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় বর্ষা মৌসুমে প্রায় তিন মাস ধরে এই এলাকায় জলাবদ্ধতা থাকে। পৌর কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। গোবিন্দগঞ্জ নাগরিক পরিষদের আহ্বায়ক মুকিতুর রহমান বলেন, গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার গুরুত্ব অপরিসীম। কারণ গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভা ভেদ করে ঢাকা-রংপুর জাতীয় মহাসড়ক নির্মিত হয়েছে। এছাড়া দিনাজপুর থেকে গোবিন্দগঞ্জ-হিলি সড়ক ধরে ঢাকা যেতে পৌরসভা অতিক্রম করতে হয়। কিন্তু পৌর মেয়রের দায়িত্বহীনতার কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই পৌরসভার রাস্তাঘাট সংস্কার করা হচ্ছে না। গোবিন্দগঞ্জ পৌর মেয়র আতাউর রহমান সরকার বলেন, অভিযোগটি সঠিক নয়। অর্থাভাবে সব রাস্তা পাকা করা সম্ভব হয়নি।
ইত্তেফাক/এএন
