সন্ধ্যা নামলেই ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, উপজেলার হাওড় এলাকার মেঘনা, তিতাস ও বুড়িনদীর তীর ঘেঁষা প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসরত জনসাধারণের মধ্যে। রাতে কোনো নৌযান ছেড়ে যায় না। হঠাত্ কেউ গুরুতর অসুস্থ হলে কিংবা গুরুতর আহত বা গর্ভবতী নারীর জরুরি চিকিত্সা সেবা দরকার পড়লে অপেক্ষা করতে হয় ভোর পর্যন্ত। বলা চলে প্রতীক্ষা করতে হয় মৃত্যুর। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি রোগী পরিবহনে কাগজ-কলমে দুইটি অ্যাম্বুলেন্স থাকলেও একটি বিকল, অপর অ্যাম্বুলেন্সটি ঠেলা, ধাক্কা ও মেরামত করে চললেও বর্তমানে অচল অবস্থায় পড়ে আছে। ফলে অ্যাম্বুলেন্সের অভাবে হাওড় অঞ্চলের স্বল্প আয়ের গরিব ও অসহায় রোগীদের জরুরি প্রয়োজনে উন্নত চিকিত্সা সেবা পেতে জেলা সদর, কুমিল্লা বা ঢাকার কোনো হাসপাতালে নেয়ার জন্য অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করে ভাড়া দিয়ে প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্স বা অন্য কোনো যানবাহনের মাধ্যমে নিয়ে যেতে হয়। এতে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ হাসপাতালে আসা গরিব রোগীরা অ্যাম্বুলেন্স সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
