স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, ওয়ালটন বাংলাদেশের মানুষের হৃদয় জয় করেছে। ওয়ালটনকে যতই দেখি, বিস্মিত হই। তাদের প্রতিটি পণ্যই মানসম্পন্ন। গবেষণা ও উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়ানোর কারণেই ওয়ালটন দ্রুততম সময়ে শিল্প বিপ্লব ঘটিয়েছে। বিভিন্ন দেশে ওয়ালটন পণ্য রপ্তানি হচ্ছে, যা দেশের জন্য গর্বের বিষয়।
শনিবার গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন মাইক্রোটেক করপোরেশনে এলইডি লাইট উৎপাদন কারখানা উদ্বোধনের পর তিনি এ কথা বলেন।
এলইডি লাইট বিদেশ থেকে আমদানিতে যে পরিমাণ শুল্ক দিতে হয়, তার চেয়ে অনেক বেশি শুল্ক দিতে হয় এ শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে। এ বিষয়ে সাংবাদিকরা দৃষ্টি আকর্ষণ করলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার শিল্পবান্ধব। দেশের উন্নয়নে সম্ভব সবকিছুই সরকার করবে। উদ্যোক্তা এবং সরকার একসঙ্গে বসলে এ সমাধান হবে।
তিনি আরো বলেন, ‘মানুষের চাহিদা ও রুচি সম্পর্কে ওয়ালটন ভালো বোঝে। সে অনুযায়ী বিশ্বমানের পণ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়ে দেশের বাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করছে। প্রতি মাসেই তাদের নতুন নতুন পণ্য বাজারে আসছে।’
IMG0
শনিবার সকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালটন কারখানায় পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান ওয়ালটনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এসএম শামসুল আলম, পরিচালক এসএম রেজাউল আলম, তাহমিনা আফরোজ, নির্বাহী পরিচালক এসএম জাহিদ হাসান, সিনিয়র অপারেটিভ ডিরেক্টর অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল এমএ কাদের, অপারেটিভ ডিরেক্টর উদয় হাকিম, মিডিয়া উপদেষ্টা এনায়েত ফেরদৌস প্রমুখ।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালটনের করপোরেট ডকুমেন্টারি উপভোগ করেন। তিনি ওয়ালটনের প্রোডাক্ট ডিসপ্লে সেন্টার পরিদর্শন করেন। এরপর মন্ত্রী ওয়ালটন মাইক্রোটেক কারখানা কমপ্লেক্সে এলইডি লাইট তৈরির কারখানা উদ্বোধন করেন। এ ছাড়া মন্ত্রী টেলিভিশন প্যানেল অ্যাসেম্বলি লাইন, এসএমটি (সারফেস মাউন্ট টেকনোলজি) লাইন, টেলিভিশন উৎপাদন ইউনিট, ফাউন্ড্রি অ্যান্ড কাস্টিং প্রজেক্ট, রেফ্রিজারেটর উৎপাদন ইউনিট, মোল্ড অ্যান্ড ডাই সেকশন এবং অন্যান্য হোম ও ইলেকট্রিক্যাল অ্যাপ্লায়েন্সের উৎপাদন প্রক্রিয়া প্রত্যক্ষ করেন।
