সশস্ত্র বাহিনী দিবস ২০১৮ উপলক্ষে সেনা ও নৌ ও বিমান বাহিনীর খেতাবপ্রাপ্ত সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। সেনা ও নৌ বাহিনীর পক্ষ থেকে পৃথকভাবে তাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। খবর আইএসপিআর।

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের পক্ষ থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা সেনানিবাসস্থ ‘আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে’ মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে অবদানের জন্য খেতাবপ্রাপ্ত সেনাবাহিনীর সদস্যদের এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর ৩ জন বীরশ্রেষ্ঠের নিকটাত্মীয়, ৩ জন বীর উত্তম, ১৪ জন বীর বিক্রম ও ২৭ জন বীরপ্রতীক সেনাসদস্যের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এছাড়া ওই অনুষ্ঠানে প্রথমবারের মত বিভিন্ন প্রশংসনীয় ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ৯ জন ‘অসামান্য সেবা পদক’ এবং ১৯ জন ‘বিশিষ্ট সেবা পদক’ (বিএসপি) প্রাপ্ত সেনাসদস্যকে সেনাবাহিনী প্রধান কর্তৃক পদকে ভূষিত করা হয়।
একইভাবে নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ নৌবাহিনীর খেতাবপ্রাপ্ত ২১ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীগণকে সংবর্ধনা প্রদান করেন। গতকাল ঢাকার বনানীস্থ নৌ সদর সাগরিকা হলে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নৌবাহিনীর এই সকল খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীগণের হাতে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ রুহুল আমিন এর পরিবার, পাঁচ জন বীর উত্তম, সাত জন বীর বিক্রম, আট জন বীর প্রতীক মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তান এবং পরিবারবর্গের সদস্যগণসহ নৌবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ ও বিপুল সংখ্যক নৌসদস্য উপস্থিত ছিলেন।
বিমান বাহিনীর খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদেরও তেজগাঁওয়ের বিএএফ ফ্যালকন হলে সংবর্ধনা প্রদান করেছেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় ‘কিলোফ্লাইট’-এর অসামরিক বৈমানিকদেরও সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
তুরস্কে সশস্ত্র বাহিনী
দিবস উদযাপন
এছাড়া উত্সব মুখর আবহে তুরস্কের আঙ্কারায় বাংলাদেশ দূতাবাসে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী দিবস উদযাপিত হয়েছে। আঙ্কারাস্থ আতলী হোটেলে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তুরস্কের বিমান বাহিনী প্রধান জেনারেল হাসান কুচক আকিউচ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম ,আল্লামা সিদ্দিকী, তুরস্কের নৌ বাহিনী প্রধান এ্যাডমিরাল ওজবাল, কোস্টগার্ড কমান্ডার রিয়ার এ্যাডমিরাল আহমেত কেনদিসহ দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা/কর্মচারীবৃন্দ এবং উল্ল্যেখযোগ্য সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশী।
