ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় পদ্মা নদীর ভাঙনে ফসলী জমি, তীর রক্ষা বাঁধ ও বসত ভিটে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। শুক্রবার কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে ফসলী জমি ও তিনটি বসত ভিটে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। স্থানীয়দের সহায়তায় ভাঙন কবলিতরা বাড়ি-ঘর অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়।
জানা যায়, ওই উপজেলায় নদী ভাঙন অব্যাহত থাকায় আতঙ্কে রয়েছে কয়েকটি গ্রামের হাজারো পরিবারের মানুষ। নদী ভাঙনের বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান এজিএম বাদল আমিন বলেন, চলতি বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি কমার সাথে সাথে কয়েকটি স্থানে হঠাত্ করে নদী ভাঙন দেখা দেয়। ওই এলাকার প্রায় পঁচিশ বিঘা ফসলী জমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পাশাপাশি শুক্রবারের ভাঙনে তিনটি বসত বাড়ি ও নদীর পাড় রক্ষা বাঁধের কিছু অংশ নদীগর্ভে চলে গেছে। চরম হুমকির মুখে রয়েছে ওই এলাকা থেকে ফরিদপুর যাতায়াতের পাকা সড়ক ও পার্শ্ববর্তী গ্রামের হাজারো পরিবারের মানুষ। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত নদী ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রামের বসতবাড়ি, সরকারি স্থাপনাসহ উপজেলা পরিষদও হুমকির মুখে রয়েছে। এ ব্যাপারে পাউবোর জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ প্রতিবেদককে জানান, গত মাসে ওই এলাকায় নদী ভাঙন দেখা দিলে তিন সপ্তাহ আগে ১৫শ ব্যাগ বালুর বস্তা ফেলা হয়। শুক্রবার রাতে আবারও ওই এলাকায় ভাঙনের খবর পাওয়া যায় এবং ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনে এসওকে পাঠানো হয়েছে। তার তদন্ত শেষে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।
ইত্তেফাক/এএন
