পবিত্র ঈদউল আযহাকে সামনে রেখে ভোলার বিভিন্ন হাটে প্রচুর গরু উঠলেও বেচা বিক্রি তুলনামূলক কম। জেলার বিভিন্ন পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে এই চিত্র। ক্রেতারা বলছেন গত বছরের তুলনায় এ বছর কোরবানির পশুর দাম অনেক বেশি।
কেউ কেউ বলছেন পশুর দাম ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। ভোলা সদরের তালুকদার হাটের ক্রেতা পৌর কাউন্সিলর মিথুন মোল্লা বলেন, যেহেতু কোরবানি দিতেই হবে দাম বেশি হলেও কয়েকটি হাট ঘুরে এর মধ্য থেকেই কিনতে হবে।
বিক্রেতা দুলাল বেপারী, জামালউদ্দিন বলেছেন, গো-খাদ্যের দাম বেশি হওয়ায় গরুর দাম একটু বেশি। সরেজমিনে ভোলার কোন পশুর হাটে ভেটেরনারী মেডিক্যাল ক্যাম্প এবং জাল টাকা শনাক্তকারী মেশিন দেখা যায়নি। হাটের ইজারাদার বজলুর রহমান মুকুল জানান, হাটে পর্যপ্ত গরু উঠলেও বেচা বিক্রি তুলনামূলক কম। এখানে গরুর দাম ৫০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত উঠেছে। নিরাপত্তার জন্য প্রতি হাটে কয়েকজন পুলিশ সদস্য দেখা গেছে।
ইত্তেফাক/এমআই
