নাটোরে কোরবানির জন্য ৩৪১টি স্থান নির্ধারণ

আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৬, ১৪:৪২
নাটোর জেলা শহরের পৌরসভায় ৪২টিসহ জেলার অন্য সাতটি পৌরসভায় মোট ৩৪১টি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সরকার বিভাগের তত্ত্বাবধানে কর্ম পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
 
এ বছরই প্রথম প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনায় জেলা শহরের পৌরসভা এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় জেলা শহরের বাইরের পৌরসভাসমূহে নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানির উদ্যোগ নেয়া হয়। এ লক্ষ্যে নাটোরসহ জেলার আটটি পৌরসভা কার্যক্রম শুরু করে।
 
স্থানীয় সরকার বিভাগ সূত্রে জানা যায়, আটটি পৌরসভার কোরবানির পশু জবাই করার জন্য নির্ধারিত স্থানসমূহের মধ্যে নাটোর পৌরসভায় ৪২টি, বনপাড়া পৌরসভায় ৩৩টি, সিংড়া পৌরসভায় ২৪টি, বড়াইগ্রাম পৌরসভায় ৫৫টি গুরুদাসপুর পৌরসভায় ৪০টি, নলডাঙ্গা পৌরসভায় ৪২টি, বাগাতিপাড়া পৌরসভায় ৪০টি এবং গোপালপুর পৌরসভায় ৬৫টি।
 
আটটি পৌরসভা এলাকার ২ লাখ ৮১ হাজার ৮৫৮ জনসংখ্যার অনুপাতে নাটোর পৌরসভায় সম্ভাব্য পাঁচ হাজার ৮৫০টি, বনপাড়া পৌরসভায় এক হাজার ৫০০টি, সিংড়া পৌরসভায় এক হাজার ৫২৫টি, বড়াইগ্রাম পৌরসভায় এক হাজার ৪০০টি, গুরুদাসপুর পৌরসভায় তিন হাজার ৫০০টি, নলডাঙ্গা পৌরসভায় পাঁচ হাজার ৭০০টি, বাগাতিপাড়া পৌরসভায় ৭৫০টি এবং গোপালপুর পৌরসভায় এক হাজার ১০০টি পশু কোরবানি করা হবে। এসব পশু কোরবানির জন্য নির্ধারিত স্থানগুলোতে ২৩১ জন ইমাম এবং ৩৩২ জন কসাইকে নিযুক্ত করা হয়েছে।
 
৩৪১টি নির্ধারিত পশু কোরবানির স্থানে ছামিয়ানা টানিয়ে সুষ্ঠুভাবে পশু কোরবানির ব্যবস্থাকরণের নিমিত্তে ইমাম, কসাই ও স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত করা, কোরবানি পশুর গোস্ত পরিবহনে ভ্যানের ব্যবস্থা করা, কোরবানিদাতাদের বসার ব্যবস্থা করা, বর্জ্য অপসারণে পানি ও পরিবহণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে বলে পৌরসভা সূত্রে জানা যায়। ইমাম ও কসাইয়ের তালিকাসহ স্থানসমূহের তালিকা প্রচারণার কথা বলা হলেও কসাইয়ের বিষয়টি পুরোপুরি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি বলে জানান নাটোর পৌরসভার মনিটরিং টিম সদস্য সহকারী প্রকৌশলী রেজাউল ইসলাম।
 
ইত্তেফাক/এসএস