নওগাঁ সদর থেকে সাগর ওরফে আসিব (৯) নামে অপহৃত শিশু শিক্ষার্থীকে ৯৬ ঘণ্টা পর বগুড়ার ধুনট উপজেলার যমুনা নদীর বানিয়াজান ঘাট এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এ সময় ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার জাংগালিয়া ছুরিপাড়ার মেজবাউল ইসলামের ছেলে সুজন মিয়া (৩০) ও রাজশাহী জেলার পুটিয়া উপজেলার চর দৌলতপুর গ্রামের আব্দুল আজিজের মেয়ে রাবেয়া খাতুনকে (১৮) আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার বিকাল ৪টার দিকে যমুনা নদীর বানিয়াজান ঘাট এলাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।
এর আগে সোমবার ১২ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বালুডাঙ্গা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে অপহরণ হয় শিশুটি।
উদ্ধারকৃত শিশু সাগর ওরফে আসিব নওগা সদরের বালুডাঙ্গা গ্রামের পিন্টু মিয়ার ছেলে এবং চকদামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নওগা সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোহেল রানা এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, 'সুজন ও রাবেয়া অপহরণকারী দলের সক্রিয় সদস্য। গত ৯ সেপ্টেম্বর দুপুৃরের দিকে সুজন ও রাবেয়া স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে নওগা সদরে পিন্টু মিয়ার বাসা ভাড়া নেন।
১২ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ভাড়াটিয়ার ছেলে সাগর ওরফে আসিবকে কৌশলে অপহরণ করে সুজন ও রাবেয়া। এরপর বিভিন্ন যানবহনে করে শিশুটিকে নিয়ে সুজন ও রাবেয়া জামালপুরের মাদরগঞ্জের উদ্যেশে রওনা হন। পথিমধ্যে বগুড়ার ধুনট উপজেলার যমুনা নদীর বানিয়াজান ঘাট হয়ে মাদারগঞ্জে যাওয়ার জন্য নৌকায় ওঠেন অপহরণকারীরা।
এদিকে, অপহরণকারীদের মোবাইল ফোন ট্রাকিং (অনুসরন) করে পুলিশ জানতে পারেন অপহৃত শিশু ও অপহরণকারীরা ধুনটে যমুনা নদীর ঘাট এলাকায় অবস্থান করছে। নওগাঁ থানা পুলিশ এই খবরটি ধুনট থানা পুলিশকে অবহিত করেন।
পরে ধুনট থানার এসআই খোকন কুমার কুণ্ড, এসআই নুরুল ইসলাম ও এএসআই জিল্লুর রহমানের সহযোগিতায় নওগাঁ থানার পুলিশ অপহৃত শিশুকে উদ্ধার ও ২ অপহরণকারীকে আটক করে।
ইত্তেফাক/কেকে
