টঙ্গীর টাম্পাকো কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে আরও একজনের মৃত্যু

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৬, ১৭:৩৮
গাজীপুর নগরীর টঙ্গী বিসিক এলাকায় টাম্পাকো ফয়েলস লিঃ কারখানায় অগ্নিদগ্ধ হোসেন আহম্মেদ (রাসেল) মঙ্গলবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় উত্তরা বাংলাদেশ জাপান ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন। এনিয়ে এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫ জনে দাঁড়ালো।
 
নিহত হোসেন আহম্মেদ (রাসেল) সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ থানার গাগুওয়া গ্রামের হাসান আলীর পুত্র। নিহত ৩৫ জনের মধ্যে ২৯ জনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি ৬ জনের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। লাশ গুলো আগুনে পুড়ে বিকৃত হওয়াতে সনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছেনা।
 
এদিকে আজ (বুধবার) পর্যন্ত সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, গাজীপুর জেলা প্রশাসন, সিটি কর্পোরেশন ও পুলিশের উদ্ধার কাজ অব্যাহত রয়েছে। আইএসপিআর'র কর্মকর্তা ওয়াজির আহম্মেদ জানান, গতকাল মঙ্গলবার বিকাল পর্যন্ত ঘটনাস্থল থেকে ৫ হাজার ৬শ' ৯৬ মেট্রিকটন গার্বেজ অপসারণ করা হয়েছে।
 
এদিকে এ প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ মকবুল হোসেন, তার স্ত্রী মোসাঃ পারভীন, পুত্র ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ তারভির হোসেন, মহাব্যবস্থাপক মোঃ শফিকুর রহমান, ব্যাবস্থাপক (প্রশাসন) মোঃ মনির হোসেন, ব্যাবস্থাপক (সার্বিক) সমির আহম্মেদ, ব্যাবস্থাপক মোঃ হানিফ ও উপব্যাবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আলমগীর হোসেনসহ ১০জন ও অজ্ঞাত আরো কিছু ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে এ ব্যাপারে টঙ্গী মডেল থানার এসআই অজয় কুমার চক্রবর্তী বাদি হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।
 
এর আগে দুর্ঘটনায় নিহত হোসেন জুয়েলের পিতা আব্দুল কাদির টঙ্গী মডেল থানায় ৮ জনকে আসামী করে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। দুর্ঘটনার পর থেকে মালিক ও ম্যানেজম্যান্টের লোকজন আত্মগোপনে আছেন।
 
গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুর অর রশিদ সাংবাদিকদের বলেন, প্রাথমিক তদন্তে মালিকের দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেছে। যে কোন সময় মালিকসহ তারা গ্রেফতার হতে পারে। তাদেরকে গ্রেফতার করতে পুলিশের অভিযান চলছে।
 
ইত্তেফাক/এসএস