বিদ্যুত্ খরচে প্রান্তিক চাষিদের আবেদন

আপডেট : ২৪ মার্চ ২০১৯, ২১:৩৪

একটি বাড়ি, একটি খামার প্রকল্প বাস্তবায়নে বিদ্যুত্ একটি অন্যতম নিয়ামক। পল্লি বিদ্যুত্ সমিতির মাধ্যমে প্রান্তিক চাষিদের বিদ্যুত্ সরবরাহ করা হয়। পল্লি বিদ্যুত্ সমিতি গ্রাহকদের (প্রান্তিক চাষিদের) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আবাসিক মিটারের সঙ্গে বাড়ির আঙিনায় আবাসিক কাজের জন্য এক থেকে দেড় অশ্বশক্তির মোটর পাম্প সংযোগের অনুমতি মিলেছে। এই এক অশ্বশক্তি মোটরে তিন রকমের পানি ডেলিভারি পাওয়া যায়। প্রত্যেকটি মোটর একই শক্তির হওয়ায় সাধারণত একই রকম বিদ্যুত্ খরচ হয়। কিন্তু কোনো প্রান্তিক চাষি যদি আবাসিক কাজে ব্যবহার করা ছাড়াও ঐ পাম্প দ্বারা সবজি চাষের সঙ্গে মত্স্য ও ইরি-বোরো ধান আবাদ করেন, তাহলে পল্লি বিদ্যুত্ সমিতি বিদ্যুত্ বিলের সঙ্গে জরিমানা আদায় করে থাকেন।

প্রত্যেকটি ধনী পরিবারে এক-দেড় হাজার ওয়াটের রাইস কুকার, এক-দুই হাজার ওয়াটের আয়রন, ১ থেকে ৩ হাজার ওয়াটের হিটার, ৩ হাজার ওয়াটের ওভেনসহ বিদ্যুতের বহুমাত্রিক ব্যবহার করছেন আবাসিক মিটারের সঙ্গে। সেখানে মাত্র ৭৫০ ওয়াটের অশ্বশক্তির মোটর পাম্প ব্যবহার করে একজন প্রান্তিক চাষি অনায়াসে বাড়ির পাশের ২০-২৫ শতক জমিতে সবজি, মত্স্য ও ধান আবাদ করে পরিবারে আর্থিক সচ্ছলতা এনে স্বনির্ভর জাতি গঠনে অংশ নিতে পারেন। এই প্রান্তিক চাষিদের আবাসিক মিটারের সঙ্গে বাড়ির আঙিনাসহ পার্শ্ববর্তী জমিতে ফসল আবাদের জন্য ১ থেকে ১.৫ অশ্বশক্তির মোটর পাম্প সেচকাজে ব্যবহূত মিটারের বিদ্যুত্ বিলে যেন জরিমানা করা না হয়, সেই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

তপন বিশ্বাস পবন

তাহেরপুর, মণিরামপুর, যশোর