স্পোর্টস রিপোর্টার
লাসিথ মালিঙ্গা আগেও শ্রীলঙ্কা দলের অধিনায়কত্ব করেছেন। অধিনায়ক হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও জিতেছেন। যদিও, ২০১৪ সালে সেবার মাঠের দায়িত্বটা আদতে দুই মহীরূহ কুমার সাঙ্গাকারা ও মাহেলা জয়াবর্ধনেই সামলেছেন। তাই, অধিনায়ক হিসেবে মালিঙ্গার অর্জনের খাতাটা এখন অবধি শূন্যই বলা যায়।
সম্প্রতি নেতৃত্বশূন্য এক শ্রীলঙ্কা দলে আবারো সীমিত ওভারের অধিনায়কত্ব পেয়েছেন মালিঙ্গা। যদিও, এই অবস্থাতেও ক্যারিয়ারটাকে খুব বেশি লম্বা করার স্বপ্ন দেখছেন না তিনি। ৩৫ বছর বয়সী এই ফাস্ট বোলার জানালেন, ২০২০ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দিয়েই ক্যারিয়ারের ইতি টানবেন তিনি।
মানে, আর মাত্র একটা বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দেখা যাবে তাকে। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে বসে তিনি বলেন, ‘আমি আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটা খেলতে চাই। এরপরই আমি ক্যারিয়ারের ইতি টানবো।’
২০০৪ সালে শ্রীলঙ্কার হয়ে অভিষেক হয় মালিঙ্গার। দলটির হয়ে খেলেছেন ৩০টি টেস্ট, ২১২টি ওয়ানডে ও ৭৩ টি-টোয়েন্টি। তিনি মুত্তিয়া মুরালিধরন ও চামিন্দা ভাসের পর ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কার তৃতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী।
চলমান ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) চতুর্থ আসর থেকে তিনি আছেন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের সাথে। এর মধ্যে ২০১৮ সালে থেকেছেন কেবলই মেন্টর হিসেবে। ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক এই টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের ইতিহাসেও তিনি সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহক। ৬.৮৬ ইকোনমি রেটে তিনি পেয়েছেন ১৫৪টি উইকেট।
যদিও, এই আসরের প্রথম ছয়টি ম্যাচে মুম্বাইয়ের সাথে থাকছেন না মালিঙ্গা। এই সংখ্যাটা আরো বাড়তেও পারে। কারণ, আপাতত তিনি আছেন জাতীয় দলের সাথে। আর এটাও বলে দেওয়া দরকার যে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের (এসএলসি) পক্ষ থেকে সব লঙ্কান ক্রিকেটারদের সাফ বলে দেওয়া হয়েছে বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পাওয়ার জন্য দেশটির ঘরোয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সুপার প্রোভিন্সিয়ার ওয়ানডে ডমেস্টিক টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার কোনো বিকল্প নেই। যারা এই আসরে খেলবে না, তাদের বিশ্বকাপ দলে বিবেচনা করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে এসএলসির নির্বাচক কমিটি। তাই, এবার মালিঙ্গার আইপিএলে অংশ নেওয়াটা ঝুঁকির মুখেই পড়ে গেছে।
