রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় সরকারি ঘোষণা মোতাবেক ১০ টাকা মূল্যে চাউল বিতরণের কার্ড দেয়ার নামে কলিমহর ইউনিয়নে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ওই ইউনিয়নের হতদরিদ্র মানুষের কাছ থেকে কার্ড দেয়ার নামে মাথাপিছু ১০০ টাকা করে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে।
সরেজমিনে কয়েকজন দরিদ্র মানুষের সঙ্গে কথা বললে তারা জানায়, ইউপি সদস্য ও মহিলা সদস্যরা কার্ড দেয়ার কথা বলে তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে।
মহিলা সদস্য জোছনা খাতুন টাকা আদায়ের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘ডিলার সিদ্দিক মন্ডল টাকা আদায় করে আমার নামে মিথ্যা বদনাম রটাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, ‘গত ২৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার প্রত্যেককে ১০ কেজি চাউলের পরিবর্তে আট কেজি ৫০০ গ্রাম করে চাউল দিয়েছে।’
৯ নং ওয়ার্ডের মেম্বার আয়নদ্দিন টাকা আদায়ের অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, ‘ইউনিয়ন পরিষদ থেকে টাকা আদায়ের জন্য আমাকে অর্ডার করেছে তাই টাকা আদায় করে ইউনিয়ন পরিষদের সেক্রেটারি সাহেবের কাছে জমা দিয়েছি।’
কলিমহর ইউপি সেক্রেটারি শাহিনুর রহমান বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ সবার সিদ্ধান্তে এই টাকা তোলা হয়েছে চাউল দেয়ার কাজে নিয়োজিত চৌকিদারদের দেয়ার জন্য।
চাউল কম দেয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান সাহেব বলতে পারবেন।’
ডিলার মতিয়ার রহমান বলেন, ‘চাউলের সঙ্কট থাকায় মাথাপিছু হতদরিদ্রদের দুই থেকে তিন শ গ্রাম চাউল কম দেয়া হয়।’
কলিমহর ইউপি চেয়ারম্যান মো. আব্দুল জলিল মন্ডল বলেন, ‘আমার ইউনিয়নে মোট ১৪৫৬ জন হতদরিদ্রদের মাঝে কার্ড প্রদান করা হয়েছে। ২০ টাকা করে নেয়া হয়েছে কার্ড তৈরি ও হতদরিদ্রদের নামের লিস্ট তৈরির জন্য।’
ইত্তেফাক/এএসএমইউ
