২০১৯ সালে শেখ হাসিনার অধীনে বিএনপিকে নির্বাচনে আসতেই হবে: নাসিম

আপডেট : ০১ অক্টোবর ২০১৬, ২৩:৫০
নওগাঁ নওজোয়ান মাঠে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এক বিশাল জনসভায় ১৪ দলের সমন্বয়ক, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, ২০১৯ সালের আগে দেশে কোনো জাতীয় নির্বাচন নয়। সংবিধানের বিধি মেনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। অসাংবিধানিক কারো অধীনে নয়। আর এ নির্বাচনে বিএনপিকে আসতেই হবে।
 
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সঠিক বলে উল্লেখ করে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সে সময় খালেদা জিয়াকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিতে চাওয়া হয়েছিল। তারপরও তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেননি। তাই সংবিধান অনুযায়ী সে সময় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৫ জানুয়ারির নির্বাচন ছিল অত্যাবশ্যকীয়। ঐ নির্বাচন না হলে দেশে সামরিক আইন জারি করা হত। কোনো রাজনীতি, দেশে কোনো গণতন্ত্র থাকত না।
 
জেলা ১৪ দলের জনসভায় সভাপতিত্ব করেন নওগাঁ জেলা ১৪ দলের সমন্বয়ক ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মালেক এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশাহ এমপি, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য খায়রুজ্জামান লিটন, জাসদের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আনোয়ার হোসেন, সাম্যবাদী দলের পলিটব্যুরোর সদস্য এমএ গণি, বাসদের আহবায়ক রেজাউর রশিদ খান, ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট এনামুল হক, আজাদী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আতাউল্যা খান, নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় সংসদের হুইপ শহিদুজ্জামান সরকার, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইসরাফিল আলম এমপি, ওয়ার্কার্স পার্টি নওগাঁ জেলার সাধারণ সম্পাদক শহিদ হাসান সিদ্দিকী স্বপন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
 
এদিকে দুপুরে নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বৈকালিক চিকিত্সাসেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি হাসপাতালগুলো গরীবের চিকিত্সাকেন্দ্র। সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্যসেবার বাইরেও যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, সেটি যুগান্তকারী। এটি যেন কথার কথা হয়ে না থাকে। দায়িত্বরত চিকিত্সক ও সেবিকাদের তিনি আরও দায়িত্বশীল হওয়ার জন্য আহ্বান জানান। 
 
সিভিল সার্জন একেএম মোজাহার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের হুইপ শহীদুজ্জামান সরকার, ছলিম উদ্দিন তরফদার এমপি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী এম এ মুহিদ, রাজশাহী বিভাগীয় পরিচালক আশিষ কুমার সাহা, জেলা প্রশাসক আমিনুর রহমান, নওগাঁ জেলা প্রশাসক ড. আমিনুর রহমান, পুলিশ সুপার মোজাম্মেল হক প্রমুখ।
 
এর আগে উপজেলার নজিপুর পৌরসভায় ২২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা ব্যয়ে মেডিক্যাল অ্যাসিসটেন্ট ট্রেনিং স্কুল ভবন কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পরে তিনি জেলা পরিষদের ১ কোটি ২২ লাখ ১০ হাজার ৪৩০ টাকা ব্যয়ে পুনঃনির্মিত নজিপুর ডাক বাংলোর শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত দ্বিতল ভবনের উদ্বোধন করেন।
 
 

ইত্তেফাক/এএন