সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকান্ডে সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের বিচার চাওয়া সীমা লঙ্ঘনের সামিল বলে মন্তব্য করা হয়েছে দেশটির পক্ষ থেকে। সৌদির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আদেল আল জুবেইর বলেছেন, সৌদি আরবের বাদশা ও যুবরাজ হলেন প্রত্যেক সৌদি নাগরিকের প্রতিনিধি। অর্থাত্ প্রত্যেক সৌদি নাগরিক তাদের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিনিধিত্ব করেন। তাই বাদশা ও যুবরাজের বিরুদ্ধে অপমানজনক কোনো আলোচনা সৌদি আরব সহ্য করবে না।
সৌদি নাগরিক সাংবাদিক খাশোগি ছিলেন ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের কড়া সমালোচক। গত বছর ভিন্ন মতাবলম্বীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক দমনপীড়ন শুরু হলে যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাসনে যান তিনি। সেখানে ওয়াশিংটন পোস্টে তিনি কলাম লিখতে থাকেন। এ সময় তিনি তুরস্কের এক নারীর প্রেমে পড়েন। তাকে বিয়ে করতে তার কাগজপত্রের প্রয়োজন ছিল। সেগুলো তুলতে ২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি আরবের কনস্যুলেটে প্রবেশ করেন তিনি। তারপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরে জানা গেছে তাকে সৌদির একদল গোয়েন্দা টার্গেট করে কনস্যুলেটের ভেতরেই হত্যা করেছে। সর্বশেষ যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ মন্তব্য করেছে যে, এ হত্যায় ক্রাউন প্রিন্স যুক্ত থাকতে পারেন। তবে এমন অভিযোগকে অস্বীকার করেছেন সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, সৌদি আরবে দুটি পবিত্র মসজিদের জিম্মাদার (বাদশা সালমান) ও যুবরাজ (মোহাম্মদ বিন সালমান) হলেন শেষ সীমা (রেড লাইন)। অন্যায়ভাবে যুবরাজকে দোষারোপ করা হচ্ছে। আমরা বার বার বলছি, এ হত্যাকান্ড নিয়ে তদন্ত চলছে। দায়ী ব্যক্তিদের আমরা শাস্তি দেব। -বিবিসি
