বন্যহাতি আতঙ্কে রাত কাটে পাহাড়ি গ্রামবাসীর

আপডেট : ০৩ অক্টোবর ২০১৬, ২২:০১
বন্যহাতির আতঙ্কে রাত কাটছে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার পাহাড়ি গ্রামবাসীর। 
 
প্রায় প্রতিরাতেই পাহাড়ি গ্রামগুলোতে বন্যহাতি তাণ্ডব চালাচ্ছে। হাতির তাণ্ডবে বিপর্যস্ত গ্রামগুলো হলো- উপজেলার তাওয়াকুচা, গুরুচরণ দুধনই, পানবর, ছোটগজনী, বাকাকুড়া, হালচাটি, গান্ধিগাও, গজনী, নওকুচি, বানাইপাড়া, রাংটিয়া, সন্ধ্যাকুড়া, গোমড়া ও গারোকোনাসহ প্রভৃতি। এ সব গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ সব আতঙ্কে থাকে। 
 
স্থানীয় প্রশাসন ও গ্রামবাসী জানায়, ১৯৯৬ সাল থেকে এসব পাহাড়ি গ্রামে বন্যহাতির তাণ্ডব শুরু হয়। বন্যহাতি দিনে গভীর অরণ্যে আশ্রয় নেয়। খাদ্যের সন্ধানে বন্যহাতি রাতে লোকালয়ে নেমে এসে তাণ্ডব চালায়। 
 
বন্যহাতির কবল থেকে জানমাল ও ক্ষেতের ফসল রক্ষার্থে গ্রামবাসী মশাল জ্বালিয়ে ঢাকঢোল ও পটকা ফাটিয়ে হাতি তাড়ানোর চেষ্টা করছে। গত ১৯ বছরে বন্যহাতির পায়ে পিষ্ট হয়ে এ উপজেলায় নারী-পুরুষ ও শিশুসহ ১৫ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে অনেক। শতশত ঘর-বাড়ি হয়েছে বিধ্বস্ত। হাতির সাথে লড়াই করে টিকে থাকতে না পেরে কেউ কেউ অনেকেই অন্যত্র চলে গেছে। 
 
রাংটিয়া ফরেস্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা কবীর হোসেন বলেন, গত কয়েকদিন ধরে বন্যহাতির তাণ্ডব অব্যাহত রয়েছে।
 
 
ইত্তেফাক/ইউবি