রায়পুর উপজেলার ১০নং রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন প্রায় ৩০ বছর আগে গ্রামবাসীর উদ্যোগে ডাকাতিয়া নদীর ওপর বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়। এ সাঁকো পার হতে গিয়ে প্রতিদিন শিশু ও বৃদ্ধ নদীতে পড়ে আহত হয়। দুই গ্রামের প্রায় দু’শ’ শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়াসহ প্রায় পাঁচ হাজার গ্রামবাসীকে যাতায়াত করতে হয় এ সাঁকো দিয়ে।
ইউপি সদস্য মাইনউদ্দিন মৈশালসহ কয়েকজন জানান, প্রায় ৩০ বছর আগে ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন গ্রামবাসী চাঁদা ও বাঁশ তুলে ডাকাতিয়া নদীর উপর ১১৯ ফুট বাঁশের সাঁকো তৈরি করেন। ব্রিজ নির্মাণে ইউপি চেয়ারম্যানের আশ্বাসে ৭০ ফিটের এ সাঁকোটি তৈরিতে গ্রামবাসীর কাছ থেকে এক লাখ ৮১ হাজার টাকা উত্তোলন করে নদীর দু’পাশে মাটি দিয়ে ভরাটও করা হয়।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সফিউল আজম চৌধুরী সুমন বলেন, রায়পুর ইউনিয়নের দুটি ওয়ার্ডে বসবাসকারী প্রায় পাঁচ হাজার গ্রামবাসীর জন্য একটি ব্রিজ অত্যন্ত প্রয়োজন। এলজিইডি প্রকৌশলী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সোলাখালী ব্রিজের দক্ষিণের বাঁশের সাঁকোটির স্থানে ব্রিজ নির্মাণে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। কিন্তু নির্মাণ কাজ করা হচ্ছে না। এছাড়াও সোলাখালী ব্রিজ সংলগ্ন দেবিপুর গ্রামেও একটি বাঁশের সাঁকোর পরিবর্তে ব্রিজ খুবই জরুরি।
উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী আক্তার হোসেন ভূঁইয়া জানান, প্রায় চার মাস আগে ডাকাতিয়া নদীর উপর একটি সাঁকোর জায়গায় ৫৫ ফিট মাপের ব্রিজ নির্মাণের বাজেট আসে। কিন্তু সাঁকোর পরিমাণ অনুযায়ী বাজেট না হওয়ায় তা ফেরত যায়। বাজেট বাড়িয়ে সাঁকোর উপর ব্রিজ নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
ইত্তেফাক/এএন
