বৈশ্বিক ঋণের পরিমাণ ১৫০ লাখ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বিপুল এ ঋণের দুই তৃতীয়াংশই বেসরকারি খাতে। ফলে এ ঋণের দায় যত বাড়বে ততই তা বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হবে বিশ্ব অর্থনীতিতে।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) জানিয়েছে, এ ঋণ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে টানাপড়েন সৃষ্টি করতে পারে। এমনকি গত দশকের অর্থনৈতিক মন্দা থেকে আর্থিক পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়াও বাধাগ্রস্ত করতে পারে। এ অবস্থায় বেসরকারি ঋণের বোঝা কমাতে বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান যেমন: ব্যাংক ও অর্থ প্রতিষ্ঠানগুলোর উপর সরকারি হস্তক্ষেপ ও সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে আইএমএফ।
সংস্থাটির পরামর্শ হলো— ম্যাচুরিটি দীর্ঘায়িত করতে ঋণদাতাকে ভর্তুকি দেয়া; ঋণ ফেরত পাওয়ার নিশ্চয়তাদানকারী, সরাসরি ঋণ প্রদানকারী ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানির জন্য প্রণোদনা প্যাকেজ দেয়া।
